বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কুড়িগ্রাম থেকে সাঁতরে ১৯ দিনের মাথায় চাঁদপুর মোলহেডে রফিকুল

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ১:২৮ এম
কুড়িগ্রাম থেকে সাঁতরে ১৯ দিনের মাথায় চাঁদপুর মোলহেডে রফিকুল

কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী ঝুনকারচর থেকে সাঁতরে ১৯ দিনের মাথায় গত ২২ মার্চ শনিবার বিকেলে চাঁদপুর মোলহেডে এসে পৌঁছান সিরাজগঞ্জের বেলকুচি এলাকার রফিকুল ইসলাম।

এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান রফিকুলের স্ত্রী এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদার ও চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির আহমেদ।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সাঁতার কেটে নদী এবং নদী পাড়ের মানুষের সাথে পরিচিত হওয়াই ছিল আমার লক্ষ্য। দীর্ঘ এই নদী পথ সাঁতরিয়ে পাড়ি দিতে সার্বক্ষণিক সাহস যুগিয়েছেন আমার স্ত্রী নিশাত মজুমদার।’

রফিকুলকে স্বাগত জানান স্ত্রী নিশাত মজুমদার ও চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির আহমেদ।

সাঁতারু রফিকুল ইসলাম জানান, দেশের অভ্যন্তরের ৫৫০ কিলোমিটার নদীপথ সাঁতরে বঙ্গোপসাগর অতিক্রম করার লক্ষ্য নিয়েছেন তিনি। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ভোরে কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী ঝুনকারচর থেকে সাঁতার শুরু করেন। এরপর গতকাল শনিবার শরীয়তপুরের সুরেশ্বর চরআত্রা এলাকায় থেকে সকাল সাতটায় ফের সাঁতার শুরু করে বিকেল সাড়ে ৪টায় ২২ কিলোমিটার পদ্মা-মেঘনা নদীপথ পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর মোলহেডে এসে পৌঁছান। টানা ১ মাস ১ দিনে তাঁর ৪০০ কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দেওয়া হয়।

Model Hospital

রোববার ভোরে মেঘনা নদীর দীর্ঘ ১৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে চাঁদপুর বড়স্টেশন মোলহেড থেকে ফের সাঁতার শুরু করেন রফিকুল।

বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ৫৫০ কিলোমিটার নদীপথ সাঁতরে নতুন রেকর্ড গড়তে চান এই সাঁতারু।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital