বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রেমের টানে নরসিংদীতে সিঙ্গাপুরী তরুণী

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ৭:৪৮ পিএম
প্রেমের টানে নরসিংদীতে সিঙ্গাপুরী তরুণী

প্রেমের টানে সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশের নরসিংদী জেলায় এসেছেন ফাতেমা নামের এক তরুণী।

গত শুক্রবার (২১ মার্চ) রাতে সিঙ্গাপুর থেকে তরুণী ফাতেমা নরসিংদী সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বালুসাইর গ্রামের তরুণ হিমেল আহমেদের কাছে আসেন। বিয়ে করে সংসার করছেন তারা। বিদেশি বউ পেয়ে খুশি বাঙালি তরুণের পরিবার ও এলাকাবাসী। বিদেশি বউ দেখতে ওই তরুণের বাড়িতে ভিড় করছে স্থানীয়রা।

জানা গেছে, হিমেল ১১ বছর মালয়েশিয়া থাকার পর কাজের সুবাদে পরিচয় হয় সিঙ্গাপুরী তরুণী ফাতেমার সঙ্গে। এরপর থেকেই ভালো লাগা অতঃপর প্রেম। সর্বশেষ তিন মাস আগে বিয়ের পিরিতে বসেন এই দম্পতি। হিমেলের পরিবার সাদরে গ্রহণ করেন সিঙ্গাপুরী এই তরুণীকে। তাদের বিয়েতে খুশি পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজন। পরিবারের সাথে ঈদ আনন্দ উদযাপন করতে বাড়িতে আসেন তারা। ভিনদেশি বউকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন সকলে।

হিমেল জানান, ‘মালোয়েশিয়ায় এক অনুষ্ঠানে ফাতেমার সাথে আমার পরিচয় হয়। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর খুবই কাছাকাছি। তাই সপ্তাহে দুই দিন সে আমার সাথে দেখা করতে মালয়েশিয়ায় আসত। এ সময় দুজন মালয়েশিয়ার বিভিন্ন স্পটে ঘুরতে যেতাম। ওর সাথে মালয়েশিয়ায় অনেক ভালো সময় কেটেছে। এ সময় দুজন-দুজনকে ভালোবেসে ফেলি। পরবর্তীতে আমি আমার বাবা-মায়ের সাথে কথা বলি। তাদের মতামত নিয়ে আমরা বিয়ে করি। তাকে পুত্রবধূ হিসেবে পেয়ে আমার পরিবার অনেক খুশি।’

Model Hospital

সিঙ্গাপুরী তরুনী ফাতেমা জানান, ‘হিমেলের সাথে আমার প্রথম দেখা হয় মালয়েশিয়ার আমেরি হোটেলে। আমার ভাগ্নের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। হিমেল আমেরি হোটেলে কাজ করতেন। সেখান থেকে আমাদের বন্ধুত্ব শুরু হয়। বন্ধুত্বের সুবাদে আমরা মালয়েশিয়ার বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যেতাম। সেই থেকে আমাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয়। পরবর্তীতে আমরা দুজন-দুজনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলি। হিমেলের মা-বাবা যখন আমাকে মেনে নিয়ে বিয়ের সম্মতি দেন তখন আমরা বিয়ে করি। হিমেল ও তার পরিবারকে ভালোবেসে এদেশে এসেছি।’

হিমেলের মা বলেন, ‘বিদেশি বউ পেয়ে আমরা অনেক খুশি। দুই পরিবারের মতামতের ভিত্তিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ভীনদেশি হলেও আমাদের বউমা অনেক ভালো।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’