গাজা ইস্যুতে
উত্তাল শাহরাস্তি: সর্বস্তরের মানুষের এক কণ্ঠে প্রতিবাদ
চলমান গাজা সংকটকে কেন্দ্র করে আজ শাহরাস্তির রাজপথ যেন রূপ নেয় এক বিশাল প্রতিবাদমঞ্চে। হাজারো মানুষের মিছিল, গগনবিদারী স্লোগান, আর প্ল্যাকার্ড হাতে জনস্রোত জানিয়ে দেয়—গাজার প্রতি সহানুভূতি আর পশ্চিমা বিশ্বের নিরব ভূমিকার বিরুদ্ধে ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ।

সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গা, উপজেলা সদর, ও চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নে একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরিণত হয় বিশাল গণজোয়ারে।

বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, “গাজায় নির্বিচারে মানবতা হত্যা চললেও তথাকথিত সভ্য বিশ্বের নেতৃত্ব চুপ করে বসে আছে। এ নিরবতা মানে হচ্ছে নৃশংসতার প্রতি পরোক্ষ সমর্থন।” তারা আরও বলেন, “আমরা আর বসে থাকবো না, আমরা সচেতন ও প্রতিরোধী সমাজ গড়ে তুলবো।” বক্তারা ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের আহ্বান জানান এবং সচেতন ভোক্তা হিসেবে নৈতিক দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেন।

এই বিক্ষোভে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাত্র সংগঠন ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনও নেতৃত্ব দেয়, যা প্রমাণ করে—গাজার ইস্যু শুধু একটি ভূরাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে মানবতা রক্ষার এক বৈশ্বিক আন্দোলন।

শাহরাস্তির এই গণপ্রতিক্রিয়া এ অঞ্চলের রাজনৈতিক সচেতনতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। বিশ্ব যখন দ্বিধাগ্রস্ত, তখন তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়, মানবিকতা কোনো কূটনীতির হিসেব কষে না—তা জন্ম নেয় অন্তরের গভীর থেকে। গাজা ইস্যুতে বিশ্বব্যাপী যে জনমত গড়ে উঠছে, শাহরাস্তির এই মিছিল তাতে একটি দৃঢ়, জোরালো সংযোজন।








