বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গাজা ও রাফায় ইসরাইলে বর্বরোচিত গণহত্যার প্রতিবাদে শাহরাস্তিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:৪৬ পিএম
গাজা ও রাফায় ইসরাইলে বর্বরোচিত গণহত্যার প্রতিবাদে শাহরাস্তিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে শাহরাস্তিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি গেইটের দোয়াভাঙ্গা এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইসরাইল বিরোধী বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশগ্রহণ করেন সর্বস্তরের জনগন। ওই সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান আয়োজকরা।
আয়োজনের স্থলে গিয়ে জানা যায়, গাজা সংকটের প্রতিবাদমঞ্চটি অল্প সময়ের ব্যবধানে লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে। অংশগ্রহণ করা হাজারো মানুষের মিছিল, গগনস্পর্শী স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড হাতে জনস্রোতের ঢল প্রমাণ করে -গাজার প্রতি মুসলিম ভাতৃত্বের সহানুভূতি ও পাশ্চাত্য বিশ্বের নিরবতা নিয়ে তাদের ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ।
ওই সময় ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে উপজেলার দোয়াভাঙ্গা, উপজেলা সদর ও চিতোষী পশ্চিম ইউপিতে  একযোগে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করে সংহতি প্রকাশ করে।
সেই মিছিল পরিণত হয় বিশাল জনসমুদ্রে, অংশগ্রহণকারীদের প্রতিবাদের প্রতিটি ধ্বনি মুসলিমউম্মাহ নেতৃবৃন্দকে জাগ্রত হওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরো বলেন, “গাজায় প্রতিদিন রক্তপাত চলছে, নারী-শিশু নির্বিশেষে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে, অথচ তথাকথিত সভ্য বিশ্বের নেতারা নিশ্চুপ। এই নিরবতা আসলে হত্যাকারীদের প্রতি এক ধরনের সমর্থন।” তারা আরও বলেন, “আমরা আর চুপ থাকবো না। আমরা গড়ে তুলবো প্রতিবাদ মঞ্চ।
বক্তারা ইসরায়েলি পণ্যও বয়কটের আহবান জানিয়ে বলেন, “ভোক্তা হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে এসব  আগ্রাসীদের পণ্য বর্জন করার। তারা ঘুমন্ত মুসলিমদের মানবতার পক্ষে জেগে উঠার আহ্বান জানান। এই বিক্ষোভে ছাত্র সংগঠন, শিক্ষক পরিষদ, ব্যবসায়ী সমিতি, শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দেয়, যা প্রমাণ করে-গাজার সংকট শুধুই একটি ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং তা আজ মানবতা রক্ষার এক বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “আমরা  রাজনীতি বুঝি না, কিন্তু আজ গাজায় যা হচ্ছে তা চোখ বিদীর্ণ করে জল আনছে। তাদের কষ্টে আমরা ঘুমাতে পারিনা। এখন আর চুপ করে থাকার সময় নেই। তাই শাহরাস্তির তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে-মানবতা কোনো কূটনীতির মোড়কে বন্দি নয়, বরং তা হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা এক সময়োপযোগী আর্তনাদ।
এই মিছিল শুধু গাজাবাসীর প্রতি সহমর্মিতার বার্তা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মার ঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করার  সঠিক সিদ্ধান্ত। আসুন দলমত নির্বিশেষে সবাই
গাজার অলিতে গলিতে পাহাড়ে ইয়া আল্লাহ, ইয়া আল্লাহ, ইয়া আল্লাহ বলে অনাথ শিশুদের সহানুভূতিতে একাত্ম হই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital