বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা, উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২২, ২:০৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা, উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানি

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা উল্টো ভুক্তভোগি পরিবারকে মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌরাঙ্গা গ্রামে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, চৌরাঙ্গা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে প্রবাসী মো. আকতার হোসেন জাকির প্রায় ১ যুগ পূর্বে রেকর্ডীয় জমির মালিক একই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই’র কাছ থেকে সাব-কবলা দলিল মূলে চৌরাঙ্গা মৌজার জে,এল নং ৪৮ ও বি এস ১০৫ নং খতিয়ানের ৯৭২ নং দাগে ২৫ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় সুত্রে মালিক হয়ে অধ্যবদি পর্যন্ত জমি ভোগ দখল করে আসছে। গত কয়েকদিন পূর্বে একই বাড়ির মৃত- আব্দুর রশিদের ছেলে আলী আহাম্মেদ জোরপূর্বক তার জমি দাবী করে ওই জায়গা অবৈধভাবে বালি-মাটি দিয়ে ভরাট করার চেষ্টা করলে আকতার হোসেন জাকিরের স্ত্রী শিরিনা বেগম স্থানীয়দের সহযোগীতায় জমি ভরাট করা বন্ধ করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আলী আহাম্মদ, স্ত্রী রোকেয়া বেগম, পুত্রবধূ পিংকি ও সুরমা জাকিরের স্ত্রী শিরিনা বেগমকে গালমন্দ ও মারতে তেড়ে আসে এবং আকতার হোসেন জাকির গংদের আসামি করে ইউনিয়ন পরিষদ, ফরিদগঞ্জ থানা ও চাঁদপুর আদালতে ৫ টি মামলা দায়ের করে। এদিকে আলী আহাম্মদ গংরা প্রতিনিয়ত জাকিরের স্ত্রী শিরিনা বেগমকে মারধরসহ ক্ষতিসাধন করার হুমকি দিয়ে আসছে বলে তারা জানায়।

এ বিষয়ে জমি বিক্রেতা আব্দুল হাই’র মেয়ে আয়েশা বেগম বলেন, আমার বাবা মৃত্যুর পূর্বে চৌরাঙ্গা মৌজার ১০৫ নং বিএস খতিয়ানের ৯৭২ দাগে ৩৫ শতাংশ জমির মধ্যে ২৫ শতাংশ জমি আকতার হোসেন জাকিরের কাছে বিক্রি করে এবং বাকী ১০ শতাংশ জমি আলী আহাম্মদের কাছে বিক্রি করে। ইতিপূর্বে আলী আহাম্মদ গংরা জোরপূর্বক জাকিরের জমিতে বালি- মাটি ভরাট করার চেষ্টা করে এবং তারা আমার প্রয়াত বাবা ও আমাদেরকে প্রতিনিয়ত গালমন্দ করে।

এ ঘটনার বিষয়ে আলী আহাম্মদ বলেন, আমি আব্দুল হাই ও রশিদা বেগমের কাছ থেকে সাব-কবলা দলিল মূলে জমি ক্রয় করেছি, আকতার হোসেন জাকির গংরা আমার সম্পত্তি জোরপূর্বক ভোগদখল করে আসছে।

Model Hospital

এ বিষয়ে জাকিরের স্ত্রী শিরিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘদিন পূর্বে পার্শ্ববর্তী প্রয়াত আব্দুল হাই’র কাছ থেকে ২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছিল।

আমার স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে গত’কয়েকদিন পূর্বে একই বাড়ির আলী আহাম্মদ গংরা আমাদের সম্পত্তি নিজেদের দাবি করে জোরপূর্বক বালি-মাটি দিয়ে ভরাট করার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাঁধা প্রদান করায় তারা আমাদেরকে মারতে তেড়ে আসে এবং ইতিপূর্বে আমাদেরকে হয়রানি করার জন্য ৫ টি মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।