বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

এশিয়া মহাদেশে দ্বিতীয় সর্বাধিক বিক্রিত বই হিসেবে স্থান

‘দ্যা এশিয়ান রেনেসাঁস’ বই অনূদিত করেছেন কচুয়ার আল মাহমুদ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:২৬ পিএম
‘দ্যা এশিয়ান রেনেসাঁস’ বই অনূদিত করেছেন কচুয়ার আল মাহমুদ

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাশে অনূদিত "দ্যা এশিয়ান রেনেসাঁস" মোড়ক।

“দ্যা এশিয়ান রেনেসাঁস” বইটি এশিয়া মহাদেশের ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় সর্বাধিক বিক্রিত বই হিসেবে স্থান পেয়েছে । বইটি অনূদিত করেছেন,বাংলাদেশের একজন সফল উদ্যোক্তা, আস্থা গ্রুপের নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও কচুয়ার কৃতি সন্তান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও লেখক হাবীব কাইউম।

এই বইটি যুগান্তকারী এশিয়ার আত্মপরিচয়, সভ্যতা, ঐতিহ্য এবং সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে একটি নতুন বোধ জাগাতে চায়। পশ্চিমা আধিপত্যের বয়ানের বাইরে গিয়ে, এশীয় সমাজ ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে একটি নবজাগরণের কথা বলে। এতে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে এশিয়া তার হারানো আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধার করে একটি মানবিক, বহুমাত্রিক ও জ্ঞাননির্ভর সমাজ গঠনের পথে এগিয়ে যেতে পারে।

এক প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, আমার অনূদিত “দ্যা এশিয়ান রেনেসাঁস” বইটি এশিয়া মহাদেশের ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় সর্বাধিক বিক্রিত বই হিসেবে স্থান পাওয়ায় পাঠক,শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য অন্তরের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাই।

বইটির উল্লেখযোগ্য দিক হলো: এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী ও আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আনোয়ার ইবরাহিমের আদর্শিক চিন্তাভাবনা আদতে কেমন? এশিয়ার ভূ-রাজনীতি নিয়ে গত কয়েক দশকে তিনি কীভাবে তার চিন্তা-কাঠামোকে উপস্থাপন করেছেন? তার চোখে দেখা এশিয়া কেমন? ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রকাশিত ‘The Asian Renaissance’ গ্রন্থে তৎকালীন মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বৃহদার্থে সহিষ্ণুতা, উদারতা ও বহুবৈচিত্রের এশিয়ার জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। আলোকোজ্জ্বল, নিখুঁত চিত্রের এবং চিন্তা জাগানিয়া এসব প্রবন্ধ সংকলন দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় রাজনীতিকে বুঝতে সহযোগিতা করবে এবং পাঠক মনে পরিবর্তনের স্পৃহা জাগিয়ে তুলবে।

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনপুরা গ্রামের মরহুম মাওলানা আব্দুল মান্নানের কনিষ্ঠ ছেলে।

Model Hospital

৫ ভাই ৩বোনের মধ্যে সবার ছোট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, পারিবারিক ভাবে তাঁরা সকলেই প্রতিষ্ঠিত ও সু-শিক্ষিত। তিনি ব্যবসা ও কর্মের পাশাপাশি উপন্যাস,গবেষণা,লেখালেখি ও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ প্রযুক্তি ও সেবামূলক খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবে সাফল্য অর্জন করছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।