শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

দিনভর ভিক্ষায় পাওয়া মাংস বিক্রি হচ্ছে হাটে, ক্রেতা মধ্যবিত্ত পরিবার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ জুন, ২০২৫, ১০:৪৪ পিএম
দিনভর ভিক্ষায় পাওয়া মাংস বিক্রি হচ্ছে হাটে, ক্রেতা মধ্যবিত্ত পরিবার

ঈদুল আজহার দিন দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন মোড়ে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমী এক মাংসের বাজার। বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস বিক্রি করছেন ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষ। আর সেই মাংস কিনছেন কোরবানি দিতে না পারা মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ, যারা ঈদের আনন্দ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত থাকতে চান না।

শনিবার (৭ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের স্টেশন চত্বর, রেলঘুন্টি মোড়, গোর-এ শহীদ ময়দানের পাশের সিএনবি মোড়, মহারাজার মোড়, বালুয়াডাঙ্গা মোড়সহ একাধিক স্থানে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিক্রি হওয়া মাংসের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে।

৬৫ বছর বয়সী সাদেকুল ইসলাম সকাল থেকে শহরজুড়ে ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করেছেন প্রায় সাড়ে ৯ কেজি মাংস। এর মধ্যে ৮ কেজি মাংস বিক্রি করেছেন মোট ছয় হাজার টাকায়, নিজের জন্য রেখেছেন দেড় কেজি। বলেন, “মাংস তো আর রোজ পাওয়া যায় না, তাই পরিবারের জন্য একটু রেখে বাকিটা বিক্রি করেছি।”

ঈদগাহ বস্তি এলাকার একজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে কোরবানির গরু কাটার বিনিময়ে মজুরি হিসেবে পাওয়া মাংস বিক্রি করেন আরমান হোসেন (৩৫)। জানান, “তিন হাজার টাকা মজুরি আর পাঁচ কেজি মাংস পেয়েছিলাম। তিন কেজি মাংস বিক্রি করলাম, বাড়িতে একটু রেখে দিয়েছি।”

Model Hospital

মহারাজার মোড়ে চার কেজি মাংস নিয়ে বসেছিলেন আলিমন বেওয়া। জীবিকা ভিক্ষাবৃত্তি হলেও ঈদের দিনে পাওয়া এই মাংস তাঁকে এনে দিয়েছে বাড়তি কিছু আয়—তিন হাজার টাকায় সব বিক্রি করেছেন।

ক্রেতাদের একজন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, “কোরবানি দেয়ার সামর্থ্য নেই, কিন্তু ভালো মাংস খেতে মন চায়। এখানকার মাংস ভালো লাগে, তাই ২ কেজি ৭০০ গ্রাম কিনে নিয়েছি।”

এই ‘মাংস হাটে’ ভিন্নধর্মী এক উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন কুদরত আলী নামে এক তরুণ। সঙ্গে এনেছেন ডিজিটাল পাল্লা। বলেন, “বিক্রেতারা ওজন না মেপেই মাংস বিক্রি করেন। ক্রেতারাও ঠকে যান। আমি ওজন করে ১০ টাকা করে নিই। এতে সন্ধ্যা পর্যন্ত চার হাজার টাকা আয় করেছি।”

মাংস সংগ্রহকারীদের কাছে যেমন এটি ছিল দিনান্তে কিছু টাকার মুখ দেখার সুযোগ, তেমনি অনেক মধ্যবিত্তের জন্য এটি ছিল ঈদের অংশীদার হওয়ার এক বিকল্প পথ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital