বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাতে খাবারে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫, ১১:০৮ পিএম
রাতে খাবারে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রতাপ গ্রামে এক পরিবারের নারী-শিশুসহ ছয় জনকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৭ জুন) সকালে তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।

তারা হলেন, মেজবা উদ্দিন সৈকত, আবদুল আজিজ হাওলাদার, জানমুন নাহার নুপুর, পারভীন আক্তার, মুনিয়া ও মাছুরা। এদের মধ্যে আবদুল আজিজ হাওলাদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মেজবা উদ্দিনের বাড়ির পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তবে সকাল হয়ে গেলেও কেউ ঘুম থেকে উঠছিলেন না।

Model Hospital

এর মধ্য হঠাৎ করে ঘুম ভাঙে মেজবা উদ্দিনের। তিনি দেখতে পান পরিবারের অন্য সবাই গভীর ঘুমে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন ও ঘরের স্টিলের আলমারি ও ড্রয়ার ভাঙা এবং ঘরের ভেতর তছনছ করা।

পরে স্থানীয়রা সবাইকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

মেজবা উদ্দিন সৈকত বলেন, রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে দেখি কেউ উঠতে পারছে না। হঠাৎ আমার ঘুম ভাঙে, দেখি সবাই অচেতন হয়ে পড়ে আছে। আলমারি ও ড্রয়ার ভাঙা, সব লুট করে নিয়ে গেছে। তখন ধারণা করলাম, খাবারে কেউ হয়তো ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে আমাদের অচেতন করেছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করি ও  পুলিশকে জানাই। এ বিষয়ে থানায় জিডি করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতানা সনিয়া বলেন, হাসপাতালে ভর্তি ছয় জনের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধারণা করছি, তাদের খাবারে ঘুমের ওষুধ জাতীয় কিছু মেশানো হয়েছেল।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের রোগীদের পুরোপুরি সুস্থ হতে তিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।