বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চুরি করে মোবাইল নম্বর দিয়ে গেল চোর

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫, ১১:১০ পিএম
চুরি করে মোবাইল নম্বর দিয়ে গেল চোর

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে রাতের অন্ধকারে চালকল ও আবাসিক ৮টি বিদ্যুতের মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে চোরচক্র বিদ্যুতের খুঁটিতে চিরকুটে মোবাইল নম্বর রেখে যায়। পরে চোরচক্রের রেখে যাওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে মিটার প্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে মিটারগুলো ফেরত আনা হয়। বুধবার বিকেল ৪টায় মিটারগুলো ফেরত দেয় চোরচক্র।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ থানার এসআই শাহিন মোল্লা।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের মনিরামপুর গ্রামে ও উপজেলা সদর সংলগ্নে এ চুরির ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে মেসার্স তামিজ হাসকিং মিলের স্বত্বাধিকারী মনিরুজ্জামান দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ নবাবগঞ্জ জোনাল অফিসে মিটার চুরির বিষয়টি অবগত করেন। তবে এ বিষয়ে থানায় মৌখিকভাবে সহযোগিতা নেন মনিরুজ্জামানসহ ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী মনিরুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার রাত ১টায় চালকল থেকে ঘুমানোর জন্য ঘরে যাই। তখনও চালকল মিলে বিদ্যুতের সংযোগ ছিল। রাত ৩টার‌ দিকে কাজের ছেলেরা চালকল চালু করতে গিয়ে দেখে বিদ্যুতের লাইন নেই। পরে বিদ্যুতের পোলে গিয়ে দেখি মিটার নেই। আর বিদ্যুতের খুঁটির নিচে একটি চিরকুটে চোর চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিকাশ নম্বর দেওয়া ছিল।

Model Hospital

মনিরুজ্জামান আরও বলেন, পরে চিরকুটে দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেছি। মিটার ফেরত দিতে চোর চক্র আমার কাছে টাকা দাবি করে। বর্তমানে আমাদের ব্যবসার সিজন চলছে, তাই কোনো কিছু না ভেবেই প্রতি মিটার ২৫০০ টাকা করে দিয়ে আজ বিকেল ৪টার দিকে মিটারগুলো আবার চোরচক্রের কাছ থেকে ফেরত নেওয়া হয়।

নবাবগঞ্জ থানার এসআই শাহিন মোল্লা বলেন, ভুক্তভোগীদের মিটার চুরির কোনো লিখিত অভিযোগ হয়নি। তারা মৌখিকভাবে বলেছে। চোরচক্রকে ধরার জন্য চেষ্টা চলছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।