এসএসসিতে মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৫৬.২০ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন
চলতি বছরের (১০ জুলাই-২০২৫) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ২ হাজার ৩শ’ ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১ হাজার ২শ’ ৯৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

যার শতকরা পাসের হার ৫৬.২০। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে মতলব জেবি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যলায় থেকে ১৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৩৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২জন। পাসের শতকরা হার ৭৭.৫৩। মতলব জেবি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১১৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। পাসের শতকরা হার ৭০.৮৩। কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৩৬.৫৮। আশ্বিনপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ১০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের শতকরা হার ৬০.৭৪। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৪৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। পাসের শতকরা হার ৬৭.৭৩। মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের শতকরা হার ৫১.৬৯। বোয়ালিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৪৪.১৯।

নওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৬৪.২৯। বরদিয়া কাজী সুলতান আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৬৯.৮১। হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৩৯.৮২। লাকশিবপুর ফিরোজা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৫৯.৬৭। নায়েরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৩৩.৬৬। নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৩৮.৮৯। আধারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৫১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৬৬.২৩।

বহরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৭১.৭০। বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৬৭.১৬। দগরপুর আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৫৩,৪২। ধলাইতলি জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৭৩.৬৮। কাচিয়ারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৬৮.০০।
কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই।পাসের শতকরা হার ২৯.০৭। আচলছিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪৪.৬৪। কাশিমপুর পুরণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ১৬.০০। লামচরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৩৪.৭৮।
পয়ালী কেবিএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪২.৫০। আদর্শ স্কুল মতলব থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৫৮.২৩। দিঘলদী এমএ সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪৭.৮৯।
আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন ঢালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৫৩.০১। ডিঙ্গাভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪১.৫১। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। পাসের শতকরা হার ৯৭.২৯।





