বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পাহাড়ধসে সাজেকের একাধিক স্থানে যোগাযোগ বন্ধ, আটকা ৪২৫ পর্যটক

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫, ১:২৩ পিএম
পাহাড়ধসে সাজেকের একাধিক স্থানে যোগাযোগ বন্ধ, আটকা ৪২৫ পর্যটক

ভারি বর্ষণের ফলে পাহাড়ধস হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে একাধিক স্থানে। এর ফলে সাজেকের সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সাজেকে আটকা পড়েছেন চার শতাধিক পর্যটক।

বুধবার দিবাগত রাতে ভারী বর্ষণ হয় রাঙামাটিতে।

পাহাড়ধসের ফলে বন্ধ সড়ক চালুর জন্য কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও ভেকু পাঠানো হচ্ছে।
সাজেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা পাহাড় ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সড়কের ৩টি স্থানে পাহাড়ের মাটি ধসে পরেছে। সাথে বড় বড় পাথর ও গাছপালা উপড়ে পরেছে।

স্থানীয় মানুষদের মাটি সরানোর কাজ করছে। ভারি যন্ত্রপাতি ও ভেকু ছাড়া এসব পাথর গাছপালা সরানো সম্ভব নয়। বিষয়টি সেনাবাহিনীর ৬ বেঙ্গল বাঘাইহাট জোন ও বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরিন আক্তারকে জানানো হয়েছে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরিন আক্তার বলেন, যান চলাচল বন্ধ থাকার কারণে সাজেকে ৪২৫ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন।

Model Hospital

দ্রুত মাটি সরানোর কাজ চলছে। মাটি সরানো সম্পন্ন হলেই যান চলাচল শুরু হবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গতরাতে রাতে ভারী বর্ষণ হয়েছে। এতে সাজেক–বাঘাইহাট সড়কের নন্দারাম, চাইল্ল্যাতলী ও চম্পকনগর এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। নন্দরাম এলাকায় তুলনামূলক বেশি মাটি ধসে পরেছে।

তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রশাসন থেকে সড়কের মাটি সরানোর কাজ শুরু করেছে। বড় বড় পাথর সরাতে সময় লাগছে। সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে, তারা কাজ শুরু করেছে। সড়কের মাটি সরানো হলেই পর্যটকরা ফিরতে পারবেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।