বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও এএসআই

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৫৬ পিএম
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও এএসআই

পাবনার চাটমোহরে শাকিল আহমেদ নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রবাসী শহিদুল ইসলামের স্ত্রী মাসুরা খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে তারা লাপাত্তা হন।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

অভিযুক্ত শাকিল আহমেদ চাটমোহর থানার এএসআই এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি তিন সন্তানের বাবা। মাসুরা খাতুন গুনাইগাছা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং দুই সন্তানের জননী।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, মাসুরা খাতুন কয়েক মাস আগে থানায় একটি কাজে আসেন, তখন শাকিল আহমেদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর দুজন পরকীয়ায় জড়িত হন। সম্প্রতি মাসুরা খাতুন শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে থানার পেছনের চৌধুরীপাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন, যেখানে নিয়মিত শাকিল আহমেদের যাতায়াত ছিল। মঙ্গলবার কুষ্টিয়ার একটি আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা বলে শাকিল আহমেদ থানা ত্যাগ করেন এবং এরপর থেকে উভয়কেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) শাকিল থানায় ফেরার কথা থাকলেও তিনি এখন পর্যন্ত উপস্থিত হননি।

Model Hospital

মাসুরা খাতুনের শ্বশুর বজলুর রহমান পুত্রবধূকে খুঁজে না পেয়ে এবং এএসআই শাকিলের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এ ব্যাপারে শাকিল আহমেদের মোবাইলে বারবার কল দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) আরজুমা আকতার জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের কাছে এসেছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এএসআই শাকিলের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।