বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ের চাপ সহ্য করতে না পেরে প্রেমিকাকে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ৪:২২ পিএম
বিয়ের চাপ সহ্য করতে না পেরে প্রেমিকাকে হত্যা

খুলনার ডুমুরিয়ার আলোচিত রেবেকা বেগম হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রেমিক প্রদ্যুৎ কুমার মন্ডল (৫৩) আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) টিএম মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, ভিন্ন ধর্মের কারণে প্রদ্যুৎ রেবেকাকে বিয়ে করতে পারছিলেন না। কিন্তু রেবেকা বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২১ জুন সন্ধ্যায় বান্দা এলাকায় তাকে হত্যা করেন প্রদ্যুৎ। পরে তার দেখানো মতে হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২১ জুন সকালে কোমলপুর গ্রামের মৃত ইনছান সরদারের মেয়ে রেবেকা নিখোঁজ হন। পরদিন বিকেলে ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের বান্দা গ্রামের একটি মাছের ঘেরের পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।

Model Hospital

এ ঘটনায় নিহতের বোন পারুল বেগম বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেন। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৭ জুন প্রদ্যুৎকে গ্রেপ্তার করে। প্রথমে তিনি হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করলেও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সত্যতা স্বীকার করেন।

এসপি টিএম মোশাররফ হোসেন জানান, “শুরুতে মামলাটি ক্লুলেস মনে হলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। অন্য কেউ এ ঘটনায় জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।