মেয়েকে খুন করে নিজেই মামলা করতে গেলেন বাবা
পটুয়াখালীর বাউফলে উন্মোচিত হয়েছে কিশোরী উর্মী ইসলাম (১৫) হত্যার রহস্য। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন নিহতের মা-বাবা ও ভগ্নিপতি।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বাউফল থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর।

ঘটনার শুরু
গত ২৩ আগস্ট সকালে উপজেলার কুম্ভখালী গ্রামে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি খাল থেকে উর্মীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তার বাবা নজরুল ইসলাম।

তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
পুলিশ জানায়, উর্মীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে গত ২২ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে তার বাবা নজরুল ইসলাম (৪৫), মা আমেনা বেগম (৪০) ও ভগ্নিপতি কামাল হোসেনের (৩২) সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই হত্যার দায় স্বীকার করেন। তারা জানান, ওইদিন রাতেই শ্বাসরোধে উর্মীকে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ গোপন করতে কুম্ভখালী খালে ফেলে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তি
এএসপি আরিফ মুহাম্মদ শাকুর বলেন, “নিহতের বাবা, মা ও ভগ্নিপতিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।”
প্রেস ব্রিফিংয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতারুজ্জামান সরকার, ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।








