বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বকুলতলা দিঘীতে বিষ প্রয়োগে কোটি টাকার মাছ নিধন, উদ্যোক্তা সর্বস্বান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৯:২৯ পিএম
শাহরাস্তিতে বকুলতলা দিঘীতে বিষ প্রয়োগে কোটি টাকার মাছ নিধন, উদ্যোক্তা সর্বস্বান্ত
শাহরাস্তিঃ শাহরাস্তিতে  অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের বিষপ্রয়োগে একটি লীজকৃত দিঘীর বিপুল পরিমাণ মাছ মারা গেছে। এতে প্রায় কোটি  টাকার মাছ নিধন হওয়ায় উদ্যোক্তা ইমাম হোসেন আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ ঘটনায় তিনি শাহরাস্তি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চিতোষী (গোপাল বাড়ী) গ্রামের ইমাম হোসেন (৩৭) গত পাঁচ বছরের জন্য ২২ একর আয়তনের বকুলতলা দিঘী বার্ষিক ৯ লাখ টাকায় লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে দিঘী পরিদর্শন শেষে তিনি বাড়ি ফিরে যান। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে পাহারাদার সজীব খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, দিঘীতে বিষপ্রয়োগের ফলে হাজারো মাছ ভেসে মরছে।
মৎস্য উদ্যোক্তার দাবি, রাত ৯টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে দিঘীতে বিষ প্রয়োগ করে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৪০ হাজার মাছ মারা যায়, যার বাজার মূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকার বেশী । তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার জীবনের সর্বস্ব এই দিঘী। এক রাতেই অজ্ঞাত লোকজন আমার স্বপ্ন ভেঙে দিলো। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার পিপিএম বার বলেন, “অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, নাশকতামূলক এ ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে মৎস্যচাষ নির্ভর বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।