শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সুধী সমাবেশে বিশিষ্টজনদের মিলনমেলা

স্বপ্ন দেখি রাষ্ট্র ও সমাজ মেরামতের : ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:৩৪ পিএম
স্বপ্ন দেখি রাষ্ট্র ও সমাজ মেরামতের : ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক
চাঁদপুরের “হাজীগঞ্জ উন্নয়ন ফোরাম”-এর আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য সুধী সমাবেশ ও ভোজসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার ইমানুয়েল’স কনভেনশন সেন্টারে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার উল্লাহ পাটোয়ারী।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার।
ওই অনুষ্ঠানের  প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও প্রধান অতিথি  হিসেবে যোগদান করেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি বিএনপি সমন্বয়ক আলহাজ্ব লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন- “স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বীর সেনানী, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
বিশেষভাবে স্মরণ করছি স্বাধীনতার ঘোষক, রণাঙ্গনের অগ্রদূত, বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকে।”
তিনি বলেন, “আমি আপনাদের মতোই একজন সাধারণ মানুষ, আমি রাষ্ট্র ও সমাজ মেরামতের স্বপ্ন নিয়ে ১৯৭৯ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি এবং আজও একজন কর্মী হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছি।” তিনি গত ২৪ সালের  ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি কর্মীদের ভূমিকা স্মরণ করে বলেন,“সেই কঠিন সময়ে আমাদের কর্মী-সমর্থকেরা শুধু হাজীগঞ্জ বা শাহরাস্তি নয়, বরং সারাদেশের মানুষকে রক্ষা করেছিলেন।
আমরা সংখ্যালঘুদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছি।” হাজীগঞ্জের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“আমরা চাই ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় থাকুক। আজকের এই সুধী সমাবেশে হাজীগঞ্জের কৃতি সন্তানদের উপস্থিতি আমাদের গৌরবান্বিত করেছে। তাঁরা রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক বিভিন্ন স্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।”
তিনি অতীতের সংসদ সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বলেন,“হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি আসনে যারা সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে মরহুম এম. মতিন স্যার , মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, আব্দুর রব, ডাঃ ছাত্তার, আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখের অবদান আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি।”ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন,“যদি বিএনপি আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পায়, তবে গতানুগতিক শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা হবে।
আমাদের নেতা  তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ তখন সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।”
তিনি সকল অতিথি, কৃতি সন্তান ও অংশ গ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁদের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।
এ সময় হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলার কৃতি সন্তান, প্রশাসনের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিল্পপতি ও সমাজসেবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- শফিউল আলম স্বপন, সভাপতি, চাঁদপুর জেলা সমিতি ও মুক্তিযোদ্ধা; রাশেদা বেগম হীরা, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক; আনোয়ার হোসেন, সভাপতি, কেন্দ্রীয় কৃষক দল; কামাল উদ্দিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য, বিএনপি; কাজী রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য, বিএনপি; মোস্তফা খান সফরী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য, বিএনপি; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) নাসির হোসেন, পরিচালক, বারডেম হাসপাতাল; মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী, সাবেক এমডি, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড; ডঃ মাহবুবুর রহমান, ইসলামী চিন্তাবিদ ও সাবেক অধ্যক্ষ, ফরিদপুর আলিয়া মাদ্রাসা; হাজী আবুল বাশার, চেয়ারম্যান, ইউনিপিল টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ; আব্দুল করিম, চেয়ারম্যান, নাদিয়া ফার্নিচার লিঃ; এম. এ. কাইয়ুম চৌধুরী, সিনিয়র এডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট; প্রফেসর ডাঃ নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, কিডনি বিশেষজ্ঞ, বিআরবি হাসপাতাল; প্রফেসর ডাঃ মোরশেদ আলম, ডেন্টাল সার্জন; প্রফেসর ডাঃ আহসান উল্লাহ তালুকদার, নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ; মোঃ ফারুক হোসেন, সাবেক সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার; মাহবুবুর রহমান খোকন, সাবেক সচিব (অব.), বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী; অমল্য কুমার দেবনাথ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, বিপিপিএ; মোঃ শহীদ উল্লাহ মিয়াজি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়; ডঃ আব্দুল হক, সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড; আলী আকবর, সাবেক রেজিস্ট্রার, সুপ্রিম কোর্ট ও পরিচালক, স্টক এক্সচেঞ্জ অথরিটি; জামাল হোসেন মজুমদার, সাবেক অতিরিক্ত সচিব (ইআরডি) ও হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সভাপতি; হুমায়ুন আহম্মেদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট; আহসান হাবিব, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও সাবেক জেলা প্রশাসক; মোঃ বিল্লাল হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; ডঃ শাহ মিরন, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; মোঃ বশির আহাম্মেদ, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর; আবু ইউসুফ, উপসচিব (অব.) বিজি প্রেস; শাহ মোঃ সোহেল খোরশেদ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, মার্কেন্টাইল ব্যাংক; জাবের মোঃ শোয়েব, সিনিয়র সহকারী সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়; এ.কে.এম. সোহরাওয়ার্দী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর; বাবু রুহিদাস বণিক, সভাপতি, বাংলাদেশ বনফুল সংঘ ও হাজীগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি; মোঃ মজিবুর রহমান মোহন চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী; ব্যারিস্টার রহিমা হক, এড. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও প্রতিষ্ঠাতা “আইন সেবা”।
বিশেষ করে বিশিষ্ট দানবীর, সমাজসেবক, শিল্পপতি এবং শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আয়েত আলী ভূঁইয়া ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, দানবীর, শিক্ষা অনুরাগী, রাজনৈতিক সংগঠক মোঃ আবু ইউসুফ পাটোয়ারী রুপনসহ রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গে উপস্থিতি পরিপূর্ণ এক ঐতিহাসিক মিলনমেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠান আঙ্গিনা।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’