বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবা-মায়ের ভরণপোষণ দেন না রিপন মিয়া, স্ত্রী-সন্তানকে অস্বীকার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:৪৮ পিএম
বাবা-মায়ের ভরণপোষণ দেন না রিপন মিয়া, স্ত্রী-সন্তানকে অস্বীকার

দেশের এখন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া। সবাই যাকে ‘রিপন ভিডিও’ নামেই চেনেন। অনেক আগে থেকে ছোট ছোট ভিডিও তৈরির কাজ শুরু করলেও সম্প্রতি তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। বিজ্ঞাপন, সিনেমার প্রচারণাসহ বিভিন্ন কাজেও যুক্ত হতে দেখা গেছে রিপন মিয়াকে।

তবে এই জনপ্রিয়তার ভিড়ে ভুলতে বসেছেন নিজের ‘অস্তিত্ব’। মা-বাবা গরিব বলে তাদের পরিচয় দিতে চান না রিপন মিয়া।
আজ মঙ্গলবার দেশের বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন নিউজের এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রকাশিত ওই সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, রিপনের মা অভিযোগ করেন রাতারাতি জনপ্রিয়তা পেয়ে এখন গরিব বাবা-মায়ের পরিচয় দিতেও নাকি লজ্জা পায় রিপন।

পুরনো ভাঙা বাড়ি ছেড়ে আলাদা পাকা বাড়ি নির্মাণ করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন তিনি। দেন না ভরণপোষণ।
রিপনের মা এটিএন নিউজকে বলেন, ‘খুব কষ্ট করে মানুষ করছি। কিন্তু এখন পরিচয় দেয় না।

Model Hospital

আমরা গরিব। পরিচয় দিলে যদি ওর মান-সম্মান না থাকে। ও বাড়ি করেছে।’
তিনি জানান, রিপন মিয়ার বিয়ে তারাই (পারিবারিকভাবে) দিয়েছেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

তবে স্ত্রী-সন্তানের কথা অস্বীকার করেছেন রিপন মিয়া। প্রকাশিত ওই সংবাদে দেওয়া বক্তব্যে রিপন দাবি করেন, যাকে তার স্ত্রী বলা হচ্ছে তিনি আসলে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী।

তবে গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভিন্ন অভিযোগ করেন রিপন মিয়া। অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকরা তার ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের ভিডিও করেছেন বলে অভিযোগ করেন রিপন। ফেসবুকে দেওয়া রিপনের ওই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।