রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান হলেন ড. কাবিল খান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান হলেন ড. কাবিল খান

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ (জেএমসি) বিভাগের নতুন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান জামিল।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জেএমসি মিডিয়া ল্যাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভাগীয় উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার এবং আজকের পত্রিকার সদ্য সাবেক সম্পাদক অধ্যাপক ড. গোলাম রহমানের উপস্থিতিতে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন নতুন বিভাগীয় প্রধান ড. জামিল খানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

ড. আব্দুল কাবিল খান জামিলের রয়েছে সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটিতে প্রায় তিন বছর সহকারী লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এ তিন বছরেরও বেশি সময় সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করেন। সর্বশেষ সাড়ে তিন বছর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জেএমসি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষকতায় আসার আগে রাশিয়ায় সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা ও পিএইচডি করার সময় ড. জামিল খান দৈনিক প্রথম আলোর মস্কো প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। দেশে ফিরে তিনি প্রথম আলোর মোবাইল সাংবাদিকতা (মোজো) বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB)-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন।

Model Hospital

বাংলাদেশে মোবাইল সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত ড. কাবিল খান আন্তর্জাতিক পর্যায়েও মোজো ট্রেইনার হিসেবে কাজ করছেন। সাংবাদিকতা ও মিডিয়া বিষয়ে গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। জামিল খান দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও অতিথি শিক্ষক হিসেবে লেকচার দিয়ে থাকেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. কাবিল খান বলেন, জেএমসি বিভাগকে আরও এগিয়ে নিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বিভাগকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

এদিকে দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে প্রায় পাঁচ বছর পর বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব থেকে বিদায় নেন ড. আফতাব হোসেন। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগেরই সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রথমবারের মতো কোনো বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি।

ড. আফতাব হোসেনের নেতৃত্বে গত পাঁচ বছরে জেএমসি বিভাগ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিকতা শিক্ষা বিভাগ হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্ব, একাডেমিক কার্যক্রমের বিস্তৃতি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে তার ভূমিকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।

বিদায়ী বক্তব্যে ড. আফতাব হোসেন বলেন, জেএসসি বিভাগ আমার কাছে শুধু একটি কর্মস্থল নয়, এটি আমার নিজের জায়গা। এই বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের সঙ্গে কাটানো সময় আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। সবার কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেয়েছি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। নতুন নেতৃত্বের অধীনে বিভাগ আরও এগিয়ে যাবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।

উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে শিগগিরই বিদেশে যাওয়ার কথা রয়েছে ড. আফতাব হোসেনের।

দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। নতুন নেতৃত্বে জেএমসি বিভাগ সাংবাদিকতা শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।