মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁবিপ্রবি প্রথম প্রো-উপাচার্য হলেন হাইমচরের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ  লোকমান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৩ এম
চাঁবিপ্রবি প্রথম প্রো-উপাচার্য হলেন হাইমচরের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ  লোকমান
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) প্রথম উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ লোকমান হোসেন। চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার এই কৃতি সন্তানকে ৪ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
​২০২৬ সালের ২২ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাঁকে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।
​​অধ্যাপক ড. লোকমান হোসেন ১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার নয়ানী লক্ষ্মীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিষয়ে স্নাতক (বিএসসি) ও স্নাতকোত্তর (এমএসসি) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল এবং চীনের শীর্ষস্থানীয় পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জৈব সংশ্লেষণ (অর্গানিক সিনথেসিস) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
​​রসায়ন শিক্ষায় তাঁর বহুমুখী গবেষণা রয়েছে। বর্তমানে তিনি পরিবেশ রসায়ন, বিশেষ করে বায়ুদূষণ ও জৈব দূষক নিয়ে কাজ করছেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খ্যাতনামা জার্নালে তাঁর ২১টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
​চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরাল গবেষণায় অনন্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস একাডেমি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন।
তিনি চাঁদপুর জেলা হাইমচর উপজেলা নয়ানী লক্ষীপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি আজীবন সদস্য চাঁদপুর জেলা সমিতি এবং সাধারণ সদস্য হাইমচর উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি।
​প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা তাঁর বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত—এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেই মেয়াদেই তিনি উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও সংবিধি অনুযায়ী তিনি তাঁর ওপর অর্পিত প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
​চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি নবীন প্রতিষ্ঠানে প্রথম প্রো-উপাচার্য হিসেবে তাঁর এই যোগদান বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”