বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যাদুকাটা নদী রক্ষায় ইজারাদারের সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩১ পিএম
যাদুকাটা নদী রক্ষায় ইজারাদারের সংবাদ সম্মেলন
সীমান্ত নদী যাদুকাটা বালু মহালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও নদীর পাড় কাটা বন্ধসহ অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইজারাদার নাসির মিয়া।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে নাসির মিয়া বলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গত ২০ ফেব্রুয়ারী তিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন। পরে আইনি জটিলতার কারণে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে বালু মহাল স্থগিত করা হয়। একপর্যায়ে প্রায় ৫ মাস পর আদালত মামলার রায় প্রদান করলে সরকারকে ১০৭ কোটি টাকা রাজস্ব প্রদান করে বৈধভাবে বালু উত্তোলনের অনুমতি পান।
এরপর থেকে প্রতিপক্ষের হুমকি, মিথ্যা মামলা-হামলার কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন নাসির মিয়া। তার দাবি, যাদুকাটা-১ ও দুই মহাল নিয়ে আমরা বৈধ ইজারাদার হিসেবে আদালত ও প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। কিন্তু একটি চক্র গত কয়েকদিন আগে রাতের অন্ধকারে মব সৃষ্টি করে নদীর পাড় কেটে বালু লুট করে। অন্যদিকে পুরনো ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে একটি চক্র।
তিনি জানান, জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও বিজিবির সহায়তায় বর্তমানে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাড় কাটা বন্ধ রয়েছে। তারা চারশ থেকে ৫শ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে নদীর পাড়ে বাঁশের বেড়া দিয়েছেন যেন কোন নৌকা বা ড্রেজার নদীর তীরে ভিড়তে না পারে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সনাতনী পদ্ধতিতে শ্রমিকের মাধ্যমে নদীর মধ্য থেকে বালু উত্তোলন করছি বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি- আমরা বৈধভাবে সরকারের রাজস্ব প্রদান করে কাজ করছি। অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত নই।
নাসির মিয়া বলেন, লাউড়গড় বাজার সংলগ্ন স্থানে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। আমরা চাই প্রশাসনের উপস্থিতিতে নদী রক্ষা হোক। কোন চক্র যেন অবৈধভাবে নদী লুট করতে না পারে। নাসির মিয়া সাধারণ শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বৈধ স্থান ছাড়া কোথাও বালু উত্তোলন না করতে। অবৈধভাবে উত্তোলনকারীদের দায়ভার ইজারাদার নেবে না, বরং আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে এমন সতর্কবার্তা দেন ইজারাদার নাসির মিয়া।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।