বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় জামায়াতে ইসলামের ওলামা সম্মেলন অনুষ্ঠানে

আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ইসলামপন্থী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ: আব্দুল হালিম

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৪ পিএম
আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ইসলামপন্থী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ: আব্দুল হালিম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কচুয়া উপজেলা মধ্য অঞ্চলের উদ্যোগে ওলামা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালে বাইছায়া আল-বারাকা আইডিয়া একাডেমির মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ওলামা বিভাগের সভাপতি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম। এসময় তিনি বলেন,ওলামায়ে কেরামের আগামীর বাংলাদেশ।

একঝাঁক হাফেজে কোরআন এবার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবে। নতুন বাংলাদেশের স্লোগান হবে নারেই তাকবীর। সেজন্য আগামী দিনে বাংলাদেশে গঠনের জন্য ইসলামপন্থী মৌলিক যে দলগুলো আছে সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধ। একজন মহাদ্দিস, মুফাসসির, হাফেজ দুর্নীতিমুক্ত দেশের জন্য উপযুক্ত নেতা। বাংলাদেশের মানুষের কাছে দরদী ও পরিচিত নেতা হলেন ডা.শফিকুর রহমান। আমিরে জামায়াত আলেম-ওলামা, কৃষক শ্রমিক, ছাত্র জনতার নেতা।

এই দেশে আলেম-ওলামাদের সম্মান যত বাড়বে সৎ লোকের পরিমাণ তত বাড়বে। মুহাদ্দিস মাওলানা আবু নছর আশরাফী কচুয়া আসনের একজন সৎ ও যোগ্য এবং নীতিবান প্রার্থী। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন। যারা আমাদের শত্রু ছিলো,আমাদের আচরণে তারা আমাদের বন্ধু হয়েছে।

Model Hospital

পৌর জামায়াতে আমির মুহাম্মদ জাকির উল্লাহ শাজলীর সভাপতিত্বে ও সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা আব্দুল সামাদ আজাদীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা নায়েবে আমির এ্যাডভোকেট মোঃ মাসুদ আলম বুলবুল, চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবু নছর আশরাফী, উপজেলা আমির এ্যাডভোকেট মোঃ আবু তাহের মেসবাহ, ওলামা বিভাগের জেলার সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ নুর মোহাম্মদ খান।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, ওলামা বিভাগের উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মমিন,কাদলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ইউসুফ, মনপুরা ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ইসহাক খান,ইসলামি আন্দোলনের প্রতিনিধি মাওলানা ইলিয়াস মিয়া,কাদলা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ,‎পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন আমির মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ, উত্তর কচুয়া ইউনিয়ন আমির সাংবাদিক এমদাদ উল্লাহ, পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা শাখায়াত হোসেন,সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিন, বিতারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মাসুম বিল্লাহ মাদানী,আশ্রাফপুর গনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুল হক,পালাখাল মডেল ইউনিয়নের আমির মোঃ জসিম উদ্দিন। এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থনরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।