ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রবাসীকে হুমকি

হাজীগঞ্জ ব্যুরো : হাজীগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় মো. ফরিদ উদ্দিন নামের এক সৌদিআরব প্রবাসীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের আব্দুল গণি ব্রিকের সত্ত্বাধিকারী মো. মহসিন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে সংবাদকর্মীদের কাছে এমন অভিযোগ করেন।

Model Hospital
বিষয়টি তিনি হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকেও মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন বলে তিনি জানান। ফরিদ উদ্দিন ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে।
ফরিদ উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, আত্মীয়তার সূত্রতায় ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আব্দুল গণি ব্রিকের সত্ত্বাধিকারী মো. মহসিন পাটোয়ারীকে তিনি ১৪ লাখ টাকা হাওলাত দেন। ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারী এই টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও তিনি তা পরিশোধ না করে ১৪ লাখ টাকার পূবালী ব্যাংকের একটি চেক (নং–AS100-A-2839427)  দেন।
পরবর্তীতে ব্যাংকে টাকা না থাকায় তিনি (ফরিদ উদ্দিন) এ টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। এরপর বেশ কয়েকবার তাগাদা দেয়ার পর ২০২১ সালে নগদ ১০ লাখ টাকা পরিশোধ এবং বাকি ৪ লাখ টাকার পূবালী ব্যাংকের একটি চেক দেন মহসিন পাটওয়ারী। চেকে (নং- AS100-A-2839492) গত বছরের ১৪ মে তারিখ উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু এবারো একাউন্টে টাকা না থাকায় ফরিদ উদ্দিন ৪ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারেন নি। বিষয়টি মহসিন পাটওয়ারীকে অবহিত করলে তিনি বার বার সময় নেন। এভাবে কয়েকমাস পার হলেও তিনি টাকা পরিশোধ করেন নি। এরপর ফরিদ উদ্দিন পাওনা টাকা আদায়ে বার বার তাগাদা দিলে মহসিন পাটওয়ারী গত ২১ ফেব্রুয়ারী লোক মারফতে ০১৮১৩-৯৩১৯৭৭ নম্বর থেকে হুমকি-ধমকি দেন। ওই সময় হুমকি দাতা বলেন, তুই কিসের টাকা পাবি, তোর বাসা একবার গিয়েছি, প্রয়োজনে আরো একবার তোর বাসা যাবো, বেশি বাড়াবাড়ি করবিনা।
এ বিষয়ে আব্দুল গণি ব্রিকের সত্ত্বাধিকারী মো. মহসিন পাটোয়ারীর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ফরিদ উদ্দিন আমার কাছে ২ লাখ টাকা পাবে।
হুমকি-ধমকির বিষয়ে কথা হলে তিনি আমাদের প্রতিনিধির কাছ থেকে ওই মোবাইল নম্বরটি নেন এবং এ বিষয়ে কিছুক্ষণ পরে জানাবেন বলেছেন, কিন্তু তিনি জানান নি।
এ প্রসঙ্গে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ বলেন, ফোন করে বিষয়টি আমাকে অবহিত করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :

কনের পরিবারের ইচ্ছেপূরণে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে এলেন লালমনিরহাটের মামুন

হাজীগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রবাসীকে হুমকি

আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
হাজীগঞ্জ ব্যুরো : হাজীগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় মো. ফরিদ উদ্দিন নামের এক সৌদিআরব প্রবাসীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের আব্দুল গণি ব্রিকের সত্ত্বাধিকারী মো. মহসিন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে সংবাদকর্মীদের কাছে এমন অভিযোগ করেন।

Model Hospital
বিষয়টি তিনি হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকেও মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন বলে তিনি জানান। ফরিদ উদ্দিন ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে।
ফরিদ উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, আত্মীয়তার সূত্রতায় ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আব্দুল গণি ব্রিকের সত্ত্বাধিকারী মো. মহসিন পাটোয়ারীকে তিনি ১৪ লাখ টাকা হাওলাত দেন। ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারী এই টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও তিনি তা পরিশোধ না করে ১৪ লাখ টাকার পূবালী ব্যাংকের একটি চেক (নং–AS100-A-2839427)  দেন।
পরবর্তীতে ব্যাংকে টাকা না থাকায় তিনি (ফরিদ উদ্দিন) এ টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। এরপর বেশ কয়েকবার তাগাদা দেয়ার পর ২০২১ সালে নগদ ১০ লাখ টাকা পরিশোধ এবং বাকি ৪ লাখ টাকার পূবালী ব্যাংকের একটি চেক দেন মহসিন পাটওয়ারী। চেকে (নং- AS100-A-2839492) গত বছরের ১৪ মে তারিখ উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু এবারো একাউন্টে টাকা না থাকায় ফরিদ উদ্দিন ৪ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারেন নি। বিষয়টি মহসিন পাটওয়ারীকে অবহিত করলে তিনি বার বার সময় নেন। এভাবে কয়েকমাস পার হলেও তিনি টাকা পরিশোধ করেন নি। এরপর ফরিদ উদ্দিন পাওনা টাকা আদায়ে বার বার তাগাদা দিলে মহসিন পাটওয়ারী গত ২১ ফেব্রুয়ারী লোক মারফতে ০১৮১৩-৯৩১৯৭৭ নম্বর থেকে হুমকি-ধমকি দেন। ওই সময় হুমকি দাতা বলেন, তুই কিসের টাকা পাবি, তোর বাসা একবার গিয়েছি, প্রয়োজনে আরো একবার তোর বাসা যাবো, বেশি বাড়াবাড়ি করবিনা।
এ বিষয়ে আব্দুল গণি ব্রিকের সত্ত্বাধিকারী মো. মহসিন পাটোয়ারীর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ফরিদ উদ্দিন আমার কাছে ২ লাখ টাকা পাবে।
হুমকি-ধমকির বিষয়ে কথা হলে তিনি আমাদের প্রতিনিধির কাছ থেকে ওই মোবাইল নম্বরটি নেন এবং এ বিষয়ে কিছুক্ষণ পরে জানাবেন বলেছেন, কিন্তু তিনি জানান নি।
এ প্রসঙ্গে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ বলেন, ফোন করে বিষয়টি আমাকে অবহিত করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।