বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্যাপিরাস পাঠাগারের পক্ষ থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
প্যাপিরাস পাঠাগারের পক্ষ থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার

পড়াশোনায় উৎসাহ বাড়াতে ৪ জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ উপহার দিয়েছে প্যাপিরাস পাঠাগার।

বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের চাঁদ টাওয়ারস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেয়া হয়।

পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আইরিন সুলতানা লিমার সভাপতিত্বে, প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চাঁদপুর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর, চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপা, খেলাঘরের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির কাঞ্চন, পাঠাগারের প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপন, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, নির্বাহী নাজমুল ইসলাম, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের কর্ণধার সাইফুল খান রাজীব ও সাহিত্যনুরাগী নাসরীন ইসলাম নিপা।

এ বছর স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ পেয়েছে মেধাবী শিক্ষার্থী জিহাদ ইসলাম, আয়মান, মুসকান ও খাদিজা আক্তার মারজান।

Model Hospital

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, শিক্ষাজীবনের প্রথম ধাপে স্কুলব্যাগ একটি আবেগের জায়গা। সকল শিক্ষার্থীই চায় সুন্দর একটি ব্যাগে বই নিয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে যেতে। কিন্তু সবার সে সাধ্য হয় না। আমার বেলায়ও তাই হয়েছে। আমার জীবনে আমি কখনও স্কুলব্যাগ কিনতে পারিনি। ক্লাসের অনেক বন্ধুর কাঁধে ব্যাগ দেখে মাঝেমধ্যে মন খারাপ লাগতো। সাধারণ ঘরের মানুষ ছিলাম। তাই শখের কথা কারো কাছে বলতে সাহস করিনি। কলমের ভেতর সুতো ঢুকিয়ে স্কুলে বই নিয়ে যেতাম। এভাবেই ব্যাগের সাধ মিটিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই শিক্ষাক্ষেত্র সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হোক। শিক্ষার হার বাড়ানোর চেয়ে শিক্ষার মান বাড়ানো বেশি জরুরি। সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। শুধু স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ প্রদানই নয়, গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার প্যাপিরাস পাঠাগার থেকে ২জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি-২০২৬ প্রদান করে নতুন ক্লাসে ভর্তির হওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, শিক্ষা প্রণোদনা দিয়ে মেধাবীদের মূল্যায়ন করা হলে সুশিক্ষিত একটি জাতি গঠনের স্বপ্ন নিয়ে দেশটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে তারা।

সভাপ্রধান আইরিন সুলতানা লিমা বলেন, স্কুলব্যাগ উপহার দিয়ে আমরা যাদের উৎসাহিত করেছি, একদিন তারাও অন্যদের ব্যাগ উপহার দিয়ে উৎসাহিত করবে।
সব শেষে চা-চক্রের আয়োজন করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।