শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
মতলব দক্ষিণে মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ
জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে মতলব দক্ষিণে নাইট মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের গড়েভাঙ্গাঁ এলাকায় গড়েভাঙ্গাঁ প্রিমিয়ারলীগ সিজন-২ এর এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার আয়োজন করে তালুকদার ফাউন্ডেশন।
খেলায় গড়েভাঙ্গাঁ টাইটান্স বনাম গড়েভাঙ্গাঁ রাইডার্স প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮২ রান করে অলআউট হয় গড়েভাঙ্গাঁ রাইডার্স। ৮৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে গড়েভাঙ্গাঁ টাইটান্স নির্ধারিত ১৬ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৮০ রান করে দলটি। এতে ৩ রানে বিজয়ী হয় গড়েভাঙ্গাঁ রাইডার্স।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, তালুকদার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রবাসী মো. হালিম তালুকদার।
খেলায় তালুকদার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার এবিএম মুসার সভাপতিত্বে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শোয়েব হোসেন রিপন তালুকদার।
ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইত্তেকার আহমেদ ইফতির উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাদেরগাঁও ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মো. মহসিন প্রধান, মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন হাক্কানী, কাউছার আহমেদ জাবেদ প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল তালুকদার, জিলানী তালুকদার, রাব্বি, জিহাদ, রাসেল, সিয়াম, সয়ন, আরিফ, রিহান, সায়মন, হান্নান, কুদ্দুসসহ এলাকার গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ ও ক্রীড়া প্রেমীরা।
প্রধান অতিথি মো. হালিম তালুকদার বলেন, আমরা তালুকদার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে খেলাধুলার পাশাপাশি অসচ্ছল পরিবারের মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, যুবসমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্ম থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা সামগ্রী বিতরণ করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এছাড়া খাদেরগাঁও ইউনিয়নকে আলোকিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রিড লাইট স্থাপন করা হবে।
এসময় তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিক্যামেরা বসানোসহ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ওয়াইফাই সংযোগ, মেইন রাস্তা থেকে বাড়িতে ডুকার রাস্তার সংযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিবে তালুকদার ফাউন্ডেশন। এছাড়া এই ইউনিয়নের বেকারত্ব দূরীকরণে তালুকদার ফাউন্ডেশন কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।