বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে ১৩৩ প্রতিবন্ধী ও দুস্থদের প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
মতলব দক্ষিণে ১৩৩ প্রতিবন্ধী ও দুস্থদের প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ১৩৩ প্রতিবন্ধী, দুস্থ্য ও অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে ৪ লক্ষাধিক টাকা মতলব পৌরসভা এবং উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মোট ১৩৩ জনকে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা হিসেবে এ নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. জালাল উদ্দিনের প্রচেষ্টায় এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইশমাম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সফিকুল ইসলাম সাগর, মতলব পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ডাঃ শোয়েব আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন প্রধান, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জহিরুল হক জহির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার টিটু চন্দ্র ধর। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন মতলব পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন প্রধান।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।