শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:০৮ পিএম
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের আসন্ন নির্বাচনে শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব। আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তিনি সকল ভোটারের সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪–২০২৬ মেয়াদের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হয়ে শিল্পীদের ব্যাপক আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন। ডিএ তায়েব দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্রাঙ্গনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

তিনি শিকড় বাংলাদেশের সফল মহাসচিব, ডি এ তায়েব ফাউন্ডেশন, সুপারস্টার ও সুপার হিরো ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের চেয়ারম্যান, সুফিয়া গণি ব্লাড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে অনেকেই তাকে একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে মূল্যায়ন করেন।

শিল্পীদের স্বার্থ রক্ষা, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের সার্বিক উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে তিনি এবার শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদের প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শিল্পীদের ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা সম্ভব।

Model Hospital

ডিএ তায়েব বলেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি আমাদের সবার প্রাণের সংগঠন। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, শিল্পীদের ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। নির্বাচিত হলে শিল্পীদের ন্যায্য অধিকার, কল্যাণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব। বিভেদ নয়, ঐক্যই হবে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথ।

তিনি আরও বলেন, “শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদের প্রতি শিল্পীদের যে আস্থা রয়েছে, সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করতে চাই। আমি অতীতেও শিল্পীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে। আগামী ৩ জুলাই আমাকে ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সকল সম্মানিত ভোটারের আন্তরিক সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করছি। আপনাদের বিশ্বাসই হবে আমার কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিল্পীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল সংগঠন হিসেবে এগিয়ে যাবে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।