বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, শিক্ষার্থীর কল্যাণ ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নই বিবেচ্য : মমিনুল হক এমপি

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৩ এম
শিক্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, শিক্ষার্থীর কল্যাণ ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নই বিবেচ্য : মমিনুল হক এমপি
শাহরাস্তিতে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে সাংসদের সঙ্গে উপজেলার সকল কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপারদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন এবং মাধ্যমিক শিক্ষক ও সমাজকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয় জোরদার, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ, বৃক্ষরোপণ, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের প্রাপ্তি এবং এর সুফল সম্পর্কে জনমত তৈরি ও করণীয় নির্ধারণে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জি. মো. মমিনুল হক এমপি। তিনি বলেন, “শিক্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, শিক্ষার্থীর কল্যাণে তাঁর অবদান এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা-ই হবে মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড। সমাজের শিক্ষিত মানুষের বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি সমর্থন থাকতেই পারে। অতীতেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে একজন শিক্ষক সর্বাগ্রে একজন শিক্ষক। তাঁর মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ন রাখা সবার দায়িত্ব।”
তিনি বলেন, অতীতে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের সময় এসেছে। নতুন কমিটিকে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কিংবা অতীতের তিক্ততা ভুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিচালনা পর্ষদকে অবশ্যই প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও সুপারদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। কাউকে হয়রানি বা অপদস্থ করার মানসিকতা নিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা যাবে না। আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে একটি কার্যকর ও আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করলে শিক্ষার মান আরও এগিয়ে যাবে।
এমপি মমিনুল হক বলেন, অতীতে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম, ভুল সিদ্ধান্ত বা প্রশাসনিক দুর্বলতা থেকে থাকলে তা গোপন না রেখে খোলামেলাভাবে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। সত্যকে প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করাই সবার দায়িত্ব। ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা নয়, প্রতিষ্ঠানের কল্যাণই হতে হবে সর্বোচ্চ বিবেচ্য।
তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইতোমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ফি আদায়, হিসাব সংরক্ষণ ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা চালু হয়েছে। এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে হবে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। একটি সুশিক্ষিত, নৈতিক ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপরই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিত করতে শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ সমৃদ্ধ করতে সরকার ও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা খাতুন এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন বলেন, “শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ, অভিভাবক এবং উপজেলা প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য।
নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, শিক্ষক-অভিভাবক সভা জোরদার, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং ঝরে পড়া রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একটি নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকবে।
মাধ্যমিক শিক্ষক ও সমাজকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন এমএসসি-এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ আয়েত আলী ভূঁইয়া, বিএনপির সহ-সভাপতি ও মেহের ডিগ্রি কলেজ এবং উয়ারুক রহমানিয়া উঃবিঃর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবু ইউছুফ রুপন পাটওয়ারী, সহ-সভাপতি বিএনপি ও  অধ্যক্ষ মোজাহের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন, সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হাসান আহমেদ টিপু, মেহের ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান,সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান,  মাধ্যমিক শিক্ষক ও সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রহিম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন, নিজমেহের পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি আলী আজগর মিয়াজী, রাজাপুরা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সায়েদুল ইসলাম, আক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা শাহরাস্তি উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় বিষয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সংসদ সদস্য ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

শাহরাস্তিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত,শোভাযাত্রা, মহড়া ও আলোচনা সভায়

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২১ পিএম
শাহরাস্তিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত,শোভাযাত্রা, মহড়া ও আলোচনা সভায়
ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শাহরাস্তিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দুর্যোগকালীন মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওরঙ্গজেব, উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. সাজ্জাদুর রহমান, প্রোগ্রামার মোহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাকসুদ আলম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল হাসান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেন, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা গোবিন্দ দাস এবং ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নাসিম রেজা নিলু প্রমুখ।
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার-ভিডিপির সদস্য, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মনিরা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, খরা, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড প্রায় প্রতিবছরই মানুষের জীবন ও জীবিকায় আঘাত হানে। তবু সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস কাজের ফলে প্রাণহানি আজ অনেক কমেছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা তৈরি করা। জাতিসংঘ গৃহীত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক (২০১৫–২০৩০) অনুযায়ী দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর মূল কথা হলো আগাম প্রস্তুতি। তাই দুর্যোগের পর ত্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই ঝুঁকি কমানোর ওপর জোর দিতে হবে।ইউএনও বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রস্তুতি শুরু হয় প্রত্যেকের নিজের ঘর ও পরিবার থেকে। রান্নার গ্যাস ব্যবহারে সতর্কতা, বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা, পরিবারের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও আগুন নেভানোর প্রাথমিক ধারণা দেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে করণীয় ঠিক করে রাখা এবং আগাম সতর্কসংকেত বোঝা এসব ছোট ছোট উদ্যোগই বড় ক্ষতি ঠেকাতে পারে। শিশু, নারী, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ নিরাপত্তার কথা মাথায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানার মালিকদের নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম সচল রাখতে হবে। এ ধরনের মহড়া মানুষকে বাস্তব পরিস্থিতিতে করণীয় শেখায়। তিনি সবাইকে স্থানীয় পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার এবং সম্মিলিত উদ্যোগে নিরাপদ শাহরাস্তি গড়ার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন দুর্যোগ প্রস্তুতিতে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুর্যোগে সবার আগে স্থানীয় মানুষই একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তাই সবাইকে সচেতন ও প্রস্তুত থাকতে হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওরঙ্গজেব বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে কাজ করলেই দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তিনি বলেন, দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি, সময়ে দ্রুত সাড়া এবং পরে পুনর্বাসন এই তিন ধাপেই সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি। এ জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা ও গুজব এড়িয়ে সরকারি সতর্কবার্তা অনুসরণের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
আলোচনা সভার আগে ও পরে দুর্যোগকালীন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লাগলে তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল দেখানো হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানায় গ্যাস ব্যবহারের নিয়মকানুন মহড়ার মাধ্যমে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয়। উপস্থিত দর্শনার্থীরা মহড়াটি আগ্রহ নিয়ে উপভোগ করেন। এতে অংশগ্রহণ করেন বিয়াম (BIAM) ল্যাবরেটরি স্কুলের  একদল শিক্ষার্থী।