বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

ডাক্তার হতে চান মহামায়া স্কুল থেকে এসএসসিতে ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ পাওয়া তাসনিয়া

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম
ডাক্তার হতে চান মহামায়া স্কুল থেকে এসএসসিতে ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ পাওয়া তাসনিয়া
সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছেন তাসনিয়া আক্তার। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
তাসনিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড টাহরখিল গ্রামের মজুমদার বাড়ির বাসিন্দা প্রবাসী মোহাম্মদ কবির হোসেন ও শিক্ষিকা মহসিনা আক্তার মিনুর বড় মেয়ে। তার এই অসাধারণ সাফল্যে পরিবার ও বিদ্যালয়ে বইছে আনন্দের বন্যা।
সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে তাসনিয়া বলেন, এ সাফল্য আমার একার নয়। আমার বাবা-মা, শিক্ষক এবং সহপাঠীরা সবসময় পাশে ছিলেন। আমি ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।  এ জন্য সকলের দোয়া প্রার্থী।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন এ প্লাস, এ গ্রেড ৯ জন, এ মাইনাস ১০ জন, বি গ্রেড ৭ জন এবং সি গ্রেড পেয়েছে ৮ জন। এ প্লাস পাওয়া তিনজন শিক্ষার্থীর মধ্যে- তাসনিয়া আক্তার (গোল্ডেন), ইয়াছমিন আক্তার ও ফাতেমা আক্তার দিনা। তিনজনই বিজ্ঞান বিভাগ বিভাগ থেকে সাফল্য লাভ করেন।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।