বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ডাক্তার হতে চান মহামায়া স্কুল থেকে এসএসসিতে ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ পাওয়া তাসনিয়া

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম
ডাক্তার হতে চান মহামায়া স্কুল থেকে এসএসসিতে ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ পাওয়া তাসনিয়া
সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছেন তাসনিয়া আক্তার। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
তাসনিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড টাহরখিল গ্রামের মজুমদার বাড়ির বাসিন্দা প্রবাসী মোহাম্মদ কবির হোসেন ও শিক্ষিকা মহসিনা আক্তার মিনুর বড় মেয়ে। তার এই অসাধারণ সাফল্যে পরিবার ও বিদ্যালয়ে বইছে আনন্দের বন্যা।
সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে তাসনিয়া বলেন, এ সাফল্য আমার একার নয়। আমার বাবা-মা, শিক্ষক এবং সহপাঠীরা সবসময় পাশে ছিলেন। আমি ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।  এ জন্য সকলের দোয়া প্রার্থী।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন এ প্লাস, এ গ্রেড ৯ জন, এ মাইনাস ১০ জন, বি গ্রেড ৭ জন এবং সি গ্রেড পেয়েছে ৮ জন। এ প্লাস পাওয়া তিনজন শিক্ষার্থীর মধ্যে- তাসনিয়া আক্তার (গোল্ডেন), ইয়াছমিন আক্তার ও ফাতেমা আক্তার দিনা। তিনজনই বিজ্ঞান বিভাগ বিভাগ থেকে সাফল্য লাভ করেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।