বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
শাহরাস্তিতে খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে শাহরাস্তি পৌর শহরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন শাহ সাহেবের মসজিদে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করা হয়। এদিকে স্থানীয় সাংসদ লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক এমপি। দিবসটি উপলক্ষে প্রয়াত  দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা  ও আত্মার মাগফেরাত ও দোয়া প্রার্থনা কামনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস প্রদান করেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৪৫ সালের ৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে শনিবার সারাদেশে দলীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচি পালনের কথা জানানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শাহরাস্তিতেও এ আয়োজন করা হয়। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের একজন আপসহীন নেত্রী। তার রুহের মাগফিরাত কামনায় আমরা দোয়া করেছি। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও দেশের মানুষের জন্য তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার ৮১তম জন্মবার্ষিকীতে আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আতাহার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন সেলিম, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শফিউল্লাহ বাচ্চু, জাকিরুল ইসলাম ঝুনু, এনামুল গনি, গাজী ফিরোজ ও সোলেমান রায়হান।
এছাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়াজী, সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান ও সদস্য সচিব এহতেশামুল হক গনি, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন নয়ন ও সদস্য সচিব আলী আজগর মোল্লা, সাবেক আহ্বায়ক আবুল কাশেম মিয়াজী, বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান জোবায়েদুল কবির বাহাদুর, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আদনান নোমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইঞ্জিঃ এবিএম পলাশ ও সদস্য সচিব আজগর হোসেন মিয়াজী, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল ও সদস্য সচিব মোঃ সোলেমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ হোসেন,সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন শিপন, ওলামাদলের সভাপতি মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি হেলাল উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।