শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদকের কারণে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় : চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল কবির

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
মাদকের কারণে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় : চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল কবির

পূর্ব শাহতলী মাদক বিরোধী প্রতিরোধ কমিটি'র উদ্যোগে শাহতলীতে মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: খায়রুল কবির।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের পূর্ব শাহতলী মাদক বিরোধী প্রতিরোধ কমিটি’র উদ্যোগে শাহতলীতে  মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৩টায় পূর্ব শাহতলী কেন্দ্রীয় ঈদ গাঁ ময়দানে চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি সোহেল রুশদী’র সভাপতিত্বে প্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: খায়রুল কবির।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। মাদকের কারণে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে তরুণ ও যুব সমাজ মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, জন প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি আরও নজরদারি বাড়াতে হবে। তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে মাদক থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি  আরো বলেন, যদি কখনো বুঝতে পারেন, আপনার সন্তান সিগারেট খাচ্ছে, তখন তাকে শাসন করবেন৷ আপনাদের  প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন৷ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে  আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। যদি কোন ভাবে আপনাদের তথ্য প্রকাশ পায়, তাহলে আমরা খতিয়ে দেখবো কিভাবে তথ্য প্রকাশ পাইছে। মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের ধরার দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সকলে একসাথে কাজ করতে হবে৷
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবং শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি সোহেল রুশদী।
তিনি বলেন, যারা মাদক আসক্ত, তাদেরকে সু-পথে আনতে আমাদের আজকের এ উদ্যোগে। আজকের প্রোগ্রাম মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক চাপ তৈরি করবে। কোন পিতা-মাতা চায়না তাদের সন্তান পথভ্রষ্ট হয়। পুলিশ সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে দিন-রাত কাজ করছে৷ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর মাদক নির্মূলে কাজ করছে। আমাদের এলাকাকে মাদক মুক্ত করতে সংগ্রাম করতে হবে৷ যারা মাদকের সাথে জড়িত, তাদের ভালো পথে নিতে হবে, তাদের পুনবাসন করতে হবে৷
তিনি বলেন, এমন কিছু করা যাবে না, যাতে কেউ আঘাত পায়। আইন হাতে তুলে নেওয়া যাবে না৷ যারা মাদকের সাথে জরিত, তারা যাতে এ পথ থেকে সরে যায়৷ প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিতে পারবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে পূর্ব শাহতলীসহ পুরো শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব হবে।
৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর খানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মু: মিজানুর রহমান, চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ফয়েজ আহম্মেদ, এস আই আওলাদ হোসেন, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ।
চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মু: মিজানুর রহমান বলেন মাদক আমাদের দেশে তৈরি হয় না। আমরা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। আইন প্রয়োগ করে মাদক বা কোন অপরাধ সমাধান করা যায় না। এর জন্য পুলিশ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর সহ সকলে কাজ করছে। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে মাদকের বিরুদ্ধে৷ আপনারা সচেতন হলে মাদক নির্মল হবে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, যারা মাদক সেবন করে, তারা আপনাদের এলাকার লোক, তাদের ধরে আমাদের জানাবেন৷ আমরা ধরে নিয়ে আসব। যারা বড় মাপের মাদক ব্যবসায়ী আছে, তাদের ধরে দিবেন, আমাকে খবর দিবেন আমি ধরে নিয়ে যাব। আপনাদের কাছে অনুরোধ মাদক সেবীদের আটক করবেন।  আপনারা আমরা সম্মিলিত ভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করবো।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, লোধের গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আখতার হোসেন, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: দিদার হোসেন মিজি, পূর্ব শাহতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সরোয়ার হোসেন সুমন গাজী, মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি জহির চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর শাহমাহমুদপুরের নেতা স্থানীয় মো: কাসেম গাজী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর থানা বিএনপির উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক, ডিবি কর্মকর্তা (অব:) মো: সাইফুল কবির চৌধুরী, জিলানী চিশতী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো: মানিক মিয়া, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ মিজি, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়র সহকারি শিক্ষক মো: নেছার আহমেদ খান, মাওলানা আব্দুল মান্নান, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: গিয়াস উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন বিডিআর, ভাটেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: ইব্রাহিম মিজি,জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা শামীম গাজী, সাবেক মেম্বার মো: সফিক কারী, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জরুল হক নুরু গাজী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: জাহাঙ্গীর মিজি, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রিপন মিজি, স্থানীয় মো: রহিম গাজী, স্থানীয় মো: সোহাগ গাজী, মো: আলমগীর গাজী, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আক্তার খান, ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমান গাজী, যুবদল নেতা শাহ মাহমুদ সেলিম হাজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ গাজী, স্থানীয় আনোয়ার গাজী, ইসলামী আন্দোলন নেতা ছিদ্দিক গাজীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’