বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন এস এম বাকের খন্দকার

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৯ পিএম
সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন এস এম বাকের খন্দকার
চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এম বাকের খন্দকার।
গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ২০২৬ কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে চার সদস্যের এডহক কমিটি অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়। চার সদস্যের এডহক কমিটির অপর তিন সদস্যরা হলেন, সদস্য সচিব পদাধকার বলে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য ইবনে মাসুদ এবং অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
মঙ্গলবারের চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা প্রণীত (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্ণিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর ৬৪(১০) ধারা অনুসারে উল্লেখিত ব্যাক্তিগণের সমন্বয়ে গঠিত এডহক কমিটিকে স্মারক ইস্যুর তারিখ হতে ছয় মাসের জন্য সভাপতির মনোনয়নসহ এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলো।
সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হওয়ায় জেলা বিএনপির সদস্য এস এম বাকের খন্দকার বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এবং চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নব-গঠিত এডহক কমিটির সভাপতি বাকের খন্দকার এক বার্তায় বলেন, এই দায়িত্ব আমার জন্য বিশাল এক সম্মান ও দায়িত্ববোধের জায়গা। আমি সর্বদা সততা, নিষ্টা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাবো।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখতে চাই। তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা সম্ভব। এজন্যই সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
শিক্ষা বিস্তারের এই উদ্যােগকে ইতিবাচক ভাবে গ্রহণ করেছেন এই এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, পুনরায় লেনদেন শুরু ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁদপুর শাখায়

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৬ পিএম
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, পুনরায় লেনদেন শুরু ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁদপুর শাখায়

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে পুনরায় লেনদেন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি চাঁদপুর ব্রাঞ্চে আগত গ্রাহকদের ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন ম্যানেজার জাফর ইকবাল।

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে পুনরায় লেনদেন কার্যক্রম শুরু করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। দীর্ঘ সময় ধরে মুনাফার অর্থ উত্তোলনসহ ব্যাংকিং লেনদেন নিয়ে ভোগান্তিতে থাকা গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া নতুন আশার সঞ্চার করেছে। লেনদেন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে ফিরে আসছে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ।

এরই ধারাবাহিকতায় ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চাঁদপুর শাখায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আগত গ্রাহকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন চাঁদপুর শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জাফর ইকবাল। দীর্ঘদিন পর ব্যাংকে এসে পুনরায় লেনদেনের সুযোগ পেয়ে গ্রাহকদের মধ্যেও দেখা যায় স্বস্তি ও সন্তোষের অনুভূতি।

গ্রাহকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের মুনাফা পাওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা উত্তোলন ও লেনদেন করতে না পারায় তাঁরা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এ সময় অনেক গ্রাহককে তাঁদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। তবে পুনরায় লেনদেন শুরু হওয়ায় তাঁরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। এখন থেকে তাঁরা ব্যাংকের মাধ্যমে তাঁদের জমাকৃত অর্থের মুনাফা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় টাকা লেনদেন করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

তারা আরও জানান, ব্যাংকের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া তাঁদের জন্য স্বস্তিদায়ক সংবাদ। তাঁরা চান, ব্যাংকের সব ধরনের সেবা দ্রুত স্বাভাবিক হোক এবং গ্রাহকরা যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তাঁদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন। একই সঙ্গে ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের আস্থা ও বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হবে বলেও তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

Model Hospital

এ বিষয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁদপুর শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জাফর ইকবাল গ্রাহকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ন্যাশনাল ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমি আমাদের ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান মহোদয়, পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

আমরা চাই, গ্রাহকরা আবারও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন। তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকে টাকা জমা রাখুন, টাকা উত্তোলন করুন এবং নিয়মিত লেনদেনের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করুন। গ্রাহকরাই আমাদের ব্যাংকের মূল শক্তি। তাঁদের আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং মানসম্মত সেবা প্রদান করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা আশা করি, গ্রাহকরা ন্যাশনাল ব্যাংকের পাশে থাকবেন এবং ব্যাংকের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। গ্রাহকরা যাতে তাঁদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারেন, সে বিষয়ে শাখা কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করতে করছে। চাঁদপুর শাখায় গ্রাহকদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করার মধ্য দিয়ে ব্যাংক ও গ্রাহকদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, ন্যাশনাল ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এখন গ্রাহকদের প্রত্যাশা, ব্যাংকের সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং তাঁরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা জমা, উত্তোলন ও অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকেরা আবারও স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যাংকটির সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লেনদেন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত থাকলে তা গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং ব্যাংকটির প্রতি তাঁদের বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।