রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

হাইইমচরে এসএসসিতে- পাসের হার ৭৪.৫৭% , দাখিলে ৮৬.৬০%, ভোকেশনাল ৯২.৮% এ প্লাস ১১২

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩, ১১:৩৪ পিএম
হাইইমচরে এসএসসিতে- পাসের হার ৭৪.৫৭% , দাখিলে ৮৬.৬০%, ভোকেশনাল ৯২.৮% এ প্লাস ১১২

প্রকাশিত ফলাফলে জানা যায়, হাইমচরে ১৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৫৫ জন শিক্ষার্থী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি- পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। অংশগ্রহণকৃত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৬৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন । পাশের হার হয়েছে ৭৪.৫৭%। জিপিএ -৫ পেয়েছেন ২৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবছর পাশের হার এবং জিপি এ -৫ অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।

১০টি মাদ্রাসার ৩৫১জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ৩০৪জন। পাসের হার হয়েছে ৮৬.৬০%। গতবছর জিপিএ -৫ পাঁচজন শিক্ষার্থী অর্জন করতে পারলেও এ বছর তা অর্জন করতে পারিনি কোন শিক্ষার্থী এবং পাশের হারেও রয়েছে পিছিয়ে।

শুধুমাত্র কমলাপুর দাখিল মাদরাসা শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

ভোকেশনাল শাখায় ২৪০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২১ জন কৃতকার্য হয়েছেন, পাশের হার ৯২.৮%। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮ জন।

Model Hospital

হাইমচর উপজেলার বাজাপ্তী রমনী মহন উবির ১০৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছে ৯২ জন। পাসের হার ৮৭. ৬২%।চরভৈরবী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়েছে ২২জন। পাসের হার ৭০.৯৭%।

চরভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়েছেন ৫৯ জন। পাশের হার ৮০.৮২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১জন। দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৭জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ৭২জন। পাসের হার ৯৩.৫১%। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭জন। ঈশানবালা এমজেএস উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৬জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ৪২জন। পাসের হার ৭৫%। গন্ডামারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৯জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ১০৩জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৯৪.৫০%। জিপিএ -৫ পেয়েছেন ৩ জন। হাইমচর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ২৭ জন পাস করেছেন। পাসের হার ৫১.৯২%।

বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪৬জন কৃতকার্য হয়েছেন।
পাসের হার ৮৮.৪৬%। কেভিএন উচ্চবিদ্যালয়ে ৬৬জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেন ৫৫জন। পাসের হার ৮৭.৩৩%। এমজেএস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৩০জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৮৫.৭১%।

মোয়াজ্জেম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ২৫জন। পাসের হার ৮৩.৩৩%। নীলকমল ওচমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১০৫জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ৯৪জন। পাসের হার ৮৯.৫২%। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১জন। আদর্শ শিশু নিকেতন স্কুল থেকে ১৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছেন ১৪ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফারুক-ই-আজম (রাঃ) আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৩.৩৩%। গাউছুল আজম ছবরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৩৪শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করেছে ২৯ জন। পাসের হার ৮৫.২৯% চরভাঙ্গা ডিএস দাখিল মাদ্রাসায় ৩৬ শিক্ষার্থীর ৩৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯১.৬৬%।

চরভৈরবী আজিজিয়া আজহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭জন পাস করেছেন। পাসের হার ৮০.৯৫%। জামিলায়ে মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ২৯শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৯.৬৫%। আল-আমিন আদর্শ মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ৪২ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৯ জন পাসের হার ৬৯.৪%। গন্ডামারা এবিএস ফাযিল মাদ্রাসার ৫৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৩জন। আলগীবাজার আলিম মাদ্রাসায় ৪৭শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪২ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৯.৩৬%। কাটাখালি হমিদিয়া মাদরাসা ৩৪জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৯জন। পাসের হার ৮৫.২৯%।কমলাপুর দাখিল মাদরাসা ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ জনই পাস করেছেন। পাসের হার ১০০%।

ভোকেশনাল শাখায় চরভৈরবী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১০ জন পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছেন ১০১ জন। পাশের হার ৯১.৮১%। জিপিএ -৫ পেয়েছেন ৪৩ জন।
দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাস করেছেন। এমজেএস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৬ জন পাস করেছেন। পাশের হার ৯৭.৫%। জিপিএ -৫ পেয়েছেন ২৬ জন।
নীলকমল উসমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩৪ জন। পাশের হার ৮০.৯৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১২ জন।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।