শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

সজীব খান প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪, ১০:৫৪ পিএম
চাঁদপুরে কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

সারাদেশের মত চাঁদপুরে কনকনে শীতের প্রকোপে বিপর্যস্ত জনজীবন। বিশেষ করে ফুতপাতে ও রাস্তার পাশে থাকা মানুষ শীতে ভুগেছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। দিন ও রাতে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ।

বিকালে শীতের তীব্র্রতা বেড়ে তা সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকছে। শীতের কারণে ছিন্নমূল ও দিনমজুররা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। ঘন কুয়াশা, তীব্র শীত ও হিমশীতল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশ।

গত ৪/৫ দিন চাঁদপুরে শীতের প্রকোপ বেশি, এই শীতের অনুভূতি আরও প্রভাবিত করেছে নদীর পাড়ের মানুষের। হিমালয় পর্বতাঞ্চল থেকে চলে আসা শীতল বায়ু ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় সারা দেশে।

শনিবার শীতের সাথে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল। বাতাসে জলীয়বাষ্পের আধিক্যও বাড়িয়ে দেয় শীতের অনুভূতি।

Model Hospital

এছাড়া আকাশে মেঘের কারণে গোটা দিন সূর্য তাপ দিতে পারেনি ধরণিকে। তাই শৈত্যপবাহের কারেন শীতের অনুভূতি অনেক বেশি।

এদিকে শীতের অনুভূতি বেশি থাকায় জনজীবনে জবুথবু অবস্থা তৈরি হয়েছে। এ কারণে রোগবালাই বেড়েছে। শীতজনিত নানা রোগে হাসপাতালে ভর্তি সংখ্যা বেড়েছে। শীত নিবারণ করতে গিয়ে মানুষ গায়ে মোটামোট কাপড় পরিধান করছে। তবু ও শীত থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা মানুষ। এই শীতে যারা দিন মজুরের কাজ করছে, তারা জীবন বাঁচাতে এই শীতেই কর্মে ব্যাস্ত রয়েছে।

যারা সড়ক, মহাসড়কে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চালাচ্ছে, তারা ও মহাবিপাকে রয়েছে।

চাঁদপুর জেলার গত কয়েকদিন ধরে বইছে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। কয়েকদিনের কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচৈই গ্রামের দিনমজুর মীর হোসেন গাজীর অসহায় পরিবারের ১১ মাসের কোলের সন্তান রামিছা আক্তারের বাম চোখে ধরা পড়েছে টিউমার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, যার জন্য বিপুল অর্থের দরকার। হতদরিদ্র এই পরিবার শিশুটির চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

​আপনাদের একটু সহানুভূতি ও সহায়তায় পারে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি শিশুটির পাশে এগিয়ে আসেন, তবে হয়তো সে নতুন জীবন ফিরে পাবে। আসুন, আমরা মানবতার ডাকে সাড়া দিই।

​সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: আপনার অনুদান পরিবারের সরাসরি নিচে দেওয়া বিকাশ নাম্বারে পাঠাতে পারেন:
​বিকাশ নাম্বার (পার্সোনাল): 01836790097