বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

নারীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয় দেশ গড়ার কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে : রাশেদা বেগম হীরা এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
নারীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয় দেশ গড়ার কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে : রাশেদা বেগম হীরা এমপি

উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী সহ অতিথিবৃন্দ।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, নারী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা বলেন, তোমাদের পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনাই যথেষ্ট নয়, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলা অত্যন্ত জরুরি। মাদক, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত আসক্তি এবং অপসংস্কৃতি থেকে তরুণ প্রজন্ম দূরে থাকতে হবে। আর এগুলো থেকে দূরে থাকতে তোমাদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সব ক্ষেত্রে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।  সমাজ ও দেশের উন্নয়নে তোমাদের কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, নারীদের শিক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। নারী শিক্ষার জন্য শিক্ষাবিদ মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী সাহেব এ প্রতিষ্ঠানটি করেছেন। এ প্রতিষ্ঠানটি নারী শিক্ষায় ভূমিকা রাখছে। আমি এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলাম। আমি চাই তোমরা এ প্রতিষ্ঠানটি ভালো ফলাফলের মাধ্যমে সুনাম বৃদ্ধি করবে। এ প্রতিষ্ঠানটি ভালো ফলাফল অর্জন করলে, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হিসাবে গর্ববোধ করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষায় সবোর্চ্চ  গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি শিক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি করেছে। সরকার নারী শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে৷ সরকার নারীদের  শিক্ষা উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। নারীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয় দেশ গড়ার কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে৷
তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে পড়াশুনা করেছি৷ আমাদের সময় পড়াশুনা করতে খুব কঠিন ছিল। তখন কোন নারী পড়াশুনা করলে সমাজ ভালো চোখে দেখে না। আমরা থেকে ইউনিভারসিটি পর্যন্ত সাত ভাইবোন কষ্ট করে পড়াশুনা করছি। তোমাদের কষ্ট করে পড়াশুনা করতে হবে। সৃষ্টির জন্য পড়তে হবে, মানুষের জন্য পড়তে হবে। আমি বাড়ি থেকে প্রায় ৩মাইল হেটে এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসে  পড়াশুনা করেছি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, আমি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তোমরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছো। এ প্রতিষ্ঠানটি অত্র এলাকায় আমার দাদা মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী সাহেব ১৯৪৮সালে প্রতিষ্ঠা করেন। নারী শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। আজকের প্রধান অতিথি এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি এ এলাকায় প্রথম বিদ্যুতের লাইন এনেছেন৷
তিনি বলেন, মাদক ইভটিজিং বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স। তোমাদের বিদ্যালয়ে আসার পথে কেউ ডিস্টার্ব করলে আমাকে বা শিক্ষকদের জানাবেন৷ আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো৷
অন্যায় কারীদের বিরুদ্ধে আমি কঠোর, ভালোদের প্রতি মানবিক। এ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত সন্তোষজনক। এ বিদ্যালয়টি নারী শিক্ষার জন্য মাইলফলক।  সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করতে হবে। তোমাদের মোবাইলে আসক্তি কমাতে হবে। প্রযুক্তিকে সঠিক কাজে ব্যবহার করতে হবে।
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: নেছার আহমেদ খান এর পরিচালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  শাহতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, জিলানী চিশতী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: কামরুল হাসান, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসীন উদ্দিন, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা আয়শা আক্তার, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম খান, সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল আজিজ মিজি, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: নুরুজ্জামান মুন্সি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোসাম্মৎ রুবিনা আক্তার, সহকারি শিক্ষক দীপঙ্কর দে, সহকারি শিক্ষক মো: আব্দুল মান্নান, সহকারি শিক্ষিকা মানছুরা আক্তার, সহকারি শিক্ষক মো: মাহবুব, সহকারি শিক্ষক মো: মনির হোসেন, সহকারি শিক্ষক বিথী আক্তার, জিলানী চিশতী কলেজ অফিস ইনচার্জ মো: রানা সরকার, হিসাব সহকারি মো: মেহেদী হাসান, বিদ্যালয়ের অফিস ইনচার্জ মো: মামুন হোসেনসহ শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
শুরুতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা এমপিকে সংবর্ধনা ক্রেস্ট, ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে যেমন খুশি, তেমন সাজ পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। যেমন খুশি, তেমন সাজ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহেল রুশদীসহ শিক্ষকবৃন্দগণ।
শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সহকারি শিক্ষক মো: মনির হোসেন। সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত ও দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীবৃন্দ৷

শাহরাস্তিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত,শোভাযাত্রা, মহড়া ও আলোচনা সভায়

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২১ পিএম
শাহরাস্তিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত,শোভাযাত্রা, মহড়া ও আলোচনা সভায়
ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শাহরাস্তিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দুর্যোগকালীন মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওরঙ্গজেব, উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. সাজ্জাদুর রহমান, প্রোগ্রামার মোহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাকসুদ আলম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল হাসান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেন, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা গোবিন্দ দাস এবং ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নাসিম রেজা নিলু প্রমুখ।
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার-ভিডিপির সদস্য, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মনিরা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, খরা, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড প্রায় প্রতিবছরই মানুষের জীবন ও জীবিকায় আঘাত হানে। তবু সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস কাজের ফলে প্রাণহানি আজ অনেক কমেছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা তৈরি করা। জাতিসংঘ গৃহীত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক (২০১৫–২০৩০) অনুযায়ী দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর মূল কথা হলো আগাম প্রস্তুতি। তাই দুর্যোগের পর ত্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই ঝুঁকি কমানোর ওপর জোর দিতে হবে।ইউএনও বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রস্তুতি শুরু হয় প্রত্যেকের নিজের ঘর ও পরিবার থেকে। রান্নার গ্যাস ব্যবহারে সতর্কতা, বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা, পরিবারের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও আগুন নেভানোর প্রাথমিক ধারণা দেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে করণীয় ঠিক করে রাখা এবং আগাম সতর্কসংকেত বোঝা এসব ছোট ছোট উদ্যোগই বড় ক্ষতি ঠেকাতে পারে। শিশু, নারী, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ নিরাপত্তার কথা মাথায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানার মালিকদের নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম সচল রাখতে হবে। এ ধরনের মহড়া মানুষকে বাস্তব পরিস্থিতিতে করণীয় শেখায়। তিনি সবাইকে স্থানীয় পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার এবং সম্মিলিত উদ্যোগে নিরাপদ শাহরাস্তি গড়ার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন দুর্যোগ প্রস্তুতিতে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুর্যোগে সবার আগে স্থানীয় মানুষই একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তাই সবাইকে সচেতন ও প্রস্তুত থাকতে হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওরঙ্গজেব বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে কাজ করলেই দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তিনি বলেন, দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি, সময়ে দ্রুত সাড়া এবং পরে পুনর্বাসন এই তিন ধাপেই সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি। এ জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা ও গুজব এড়িয়ে সরকারি সতর্কবার্তা অনুসরণের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
আলোচনা সভার আগে ও পরে দুর্যোগকালীন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লাগলে তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল দেখানো হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানায় গ্যাস ব্যবহারের নিয়মকানুন মহড়ার মাধ্যমে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয়। উপস্থিত দর্শনার্থীরা মহড়াটি আগ্রহ নিয়ে উপভোগ করেন। এতে অংশগ্রহণ করেন বিয়াম (BIAM) ল্যাবরেটরি স্কুলের  একদল শিক্ষার্থী।