শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবুরহাটে যাত্রীবাহি বাস, সিএনজি ও অটোরিকশার ত্রিমূখী সংঘর্ষে ৪ জন আহত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪, ৪:০৮ পিএম
বাবুরহাটে যাত্রীবাহি বাস, সিএনজি ও অটোরিকশার ত্রিমূখী সংঘর্ষে ৪ জন আহত

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বাবুরহাট পশ্চিম বাজারে সিএনজি, অটোরিকশা ও জৈনপুর বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দূর্ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বাবুরহাট স্কুলের পূর্ব পাশে বাজারের প্রবেশ মুখে ত্রিমুখী এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। যাত্রীবাহী জৈনপুর এক্সপ্রেস বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে বাসের কোন ক্ষতি না হলেও সিএনজি ধুমড়ে মুছড়ে গিয়ে অটোরিকশার সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। সিএনজিতে থাকা যাত্রীরা আহত হওয়ার কথা জানা যায়।

দুর্ঘটনায় কবলিত সিএনজি চালক ভিতরে আটকে গেলে প্রত্যক্ষদর্শীরা বহু চেষ্টা করে চালককে বের করে আনতে ব্যার্থ হলে পার্শ্ববর্তী ওয়ার্কশপের মালিক হাসান গাজী দ্রুত গ্রীল কাটার মেশিন এনে সিএনজির সামনের অংশ কেটে চালকের শরীরে ঢুকে যাওয়া রড কেটে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর নিয়ে ভর্তি করানো হয়। সিএনজিতে থাকা যাত্রীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Model Hospital

এসময় মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে দ্রুত যানজট মুক্ত করেন এবং দূর্ঘটনা কবলিত বাস ও সিএনজিকে আটক করেন।

স্থানীয় জনগণ বলেন, বাবুরহাট বাজার এলাকাটি খুবই ব্যস্ততম এলাকা। বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ছুটি হলে শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারের সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেকসময় ছোট খাটো দুর্ঘটনাও ঘটে। এখানে রাস্তা পারাপারের জন্য সড়কে স্পিড ব্রেকার অথবা সড়কের উপরে ওভার ব্রীজ জরুরী প্রয়োজন।

নতুবা যেকোনো সময় আরো বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচৈই গ্রামের দিনমজুর মীর হোসেন গাজীর অসহায় পরিবারের ১১ মাসের কোলের সন্তান রামিছা আক্তারের বাম চোখে ধরা পড়েছে টিউমার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, যার জন্য বিপুল অর্থের দরকার। হতদরিদ্র এই পরিবার শিশুটির চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

​আপনাদের একটু সহানুভূতি ও সহায়তায় পারে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি শিশুটির পাশে এগিয়ে আসেন, তবে হয়তো সে নতুন জীবন ফিরে পাবে। আসুন, আমরা মানবতার ডাকে সাড়া দিই।

​সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: আপনার অনুদান পরিবারের সরাসরি নিচে দেওয়া বিকাশ নাম্বারে পাঠাতে পারেন:
​বিকাশ নাম্বার (পার্সোনাল): 01836790097