শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শীতকালীন সবজিতে স্বস্তি ক্রেতার, ন্যায্যমূল্য বঞ্চিত কৃষক

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫০ এম
শীতকালীন সবজিতে স্বস্তি ক্রেতার, ন্যায্যমূল্য বঞ্চিত কৃষক

বিভিন্ন শাক-সবজির আগমনী বার্তায় স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে শীতকাল। মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা চড়া থাকলেও ধীরে ধীরে কমে এখন তা চলে এসেছে হাতের নাগালে। সেই সঙ্গে কমেছে সবধরনের মুরগির দামও। ফলে পকেটে টান কম পড়ায় কিছুটা স্বস্তিতে জনমানুষ।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) কাঁচা বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

এদিন মুরগির বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার, কক সহ প্রায় সব ধরনের মুরগিতেই ১০-২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লা্র ২১০-২২০ টাকায় বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে তা বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকায়। এছাড়াও সোনালি ২৯০-৩০০ টাকা, লেয়ার ৩৪০-৩৫০ টাকা, দেশি ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির দাম কমার বিষয়ে বিক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সব মুরগির দাম কমছে। গত সপ্তাহ ব্রয়লার বিক্রি করছে ২১০-২২০ করে। এই সপ্তাহ ২০০ টাকারও নিচে নেমে গেছে। সোনালী, লেয়ারের দামও কমছে কিছুটা।

Model Hospital

সরেজমিনে কাচাঁ বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটো ৬০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা, পাতা কপি ৩০ টাকা, পিঁয়াজের কালি ১৫ টাকা আটি, চিচিঙ্গা ৫০, সিম প্রকার ভেদে ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, কাচা মিষ্টি কুমড়া মাঝারি আকারের প্রতি পিস ৬০ টাকা, কাচা মরিচ কেজি ৬০ টাকা, লাউ আকারভেদে প্রতি পিস ৫০-৬০, কালো বেগুন ৬০, লম্বা বেগুন ৫০, সাদা বেগুন ৬০, শালগম ৩০, শশা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া নতুন আলু ৫০ টাকা, নতুন দেশি পিঁয়াজ ৫০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ২০০, দেশি আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ডিমের বাজার অস্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহেও বাজারে সাদা ডিম ডজন ১৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, লাল ডিম ডজন ১৩০-১৩৫ এবং হাসের ডিম ডজন ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য এখন সহনীয় পর্যায়ে আছে কি না জানতে চাইলে বাজার করতে আসা আব্দুল হেলাল নামের এক বেসরকারি চাকরিজীবি বলেন, এখন তো দাম অনেকটায় কমছে। মানুষও স্বস্তি পাচ্ছে। তবে খবরে দেখি, বিভিন্ন জায়গায় কৃষকরা দাম পাচ্ছে না বলে ফসল নষ্ট করে ফেলছে, অথচ সে তুলনায় তো দাম বেশিই। কৃষক যেনো সঠিক দামটা পায়, ভোক্তাও স্বস্তিতে থাকে সে বিষয়টাই সরকারকে নজর দিতে হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital