বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্রের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম
চাঁদপুরে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্রের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নদী কেন্দ্র আয়োজিত “বার্ষিক (২০২৫-২৬) গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও প্রকল্প প্রস্তাবনা (২০২৬-২৭) প্রণয়ন” শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।

চাঁদপুরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নদী কেন্দ্র আয়োজিত “বার্ষিক (২০২৫-২৬) গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও প্রকল্প প্রস্তাবনা (২০২৬-২৭) প্রণয়ন” শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, দেশের মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গবেষণার বিকল্প নেই। গবেষণালব্ধ তথ্য ও প্রযুক্তিকে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষ করে নদীকেন্দ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা, বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের সংরক্ষণ, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষকদের আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী গবেষণা পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বিত কার্যক্রম দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে। গবেষণার ফলাফল যেন সরাসরি মৎস্যজীবী, খামারি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি আগামী অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্প প্রণয়নে মাঠপর্যায়ের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত চাহিদা এবং জাতীয় মৎস্য উন্নয়ন নীতিমালাকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল বাবুল কৃষ্ণ ওঝা এবং মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল বি. এম. মোস্তফা কামাল।

চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তায়েফা আহমেদের সভাপতিত্বে এবং আরএসএসও রুমানা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রায়পুর লক্ষীপুরের উপ-পরিচালক অজিত কুমার পাল, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী এবং সাধারণ সম্পাদক এম. এ. লতিফ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, নদী কেন্দ্র, চাঁদপুরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ফেরদৌস সিদ্দিকী।

দুই পর্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে। কর্মশালায় বিভিন্ন জেলার মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য নতুন গবেষণা প্রকল্প ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital