বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া কাদলা ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে নৌকা চান ২১ জন প্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১, ৩:৩৩ পিএম
কচুয়া কাদলা ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে নৌকা চান ২১ জন প্রার্থী

মো: রাছেল : আসন্ন ইউপি নির্বাচন উপলক্ষ্যে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পৃথক পৃথক ভাবে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল ১০টায় কাদলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা বাতাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্বে এ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

বিকাল ৩টায় পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের বর্ধিত সভা নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এসভায় সভাপতিত্ব করেন এ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন। টেলিকনফারেন্সে উভয় বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

Model Hospital

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেব, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতানা খানম,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির, কামরুন্নাহার ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান হাতেম,আব্দুল জব্বার বাহার প্রমূখ।

কাদলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১১ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীরা হচ্ছেন, বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম লালু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাচ্ছেল খান, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজালাল প্রধান জালাল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,জোট সরকারের আমলের ১১ মামলার আসামী ও বহুল আলোচিত নির্যাতিত উপজেলা শ্রমিক লীগের সহসভাপতিমুক্তার খান, যুবলীগ নেতা নুরে আলম রিহাত, যুবলীগের সহসভাপতি আবাদুল হাই,মহিলা নেত্রী রোকেয়া বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম স্বপন, ছাত্র নেতা সালাউদ্দিন।

অপর দিকে পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের ১০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়েছে। প্রার্থীরা হচ্ছেন- ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ আজাদ, সাবেক চেয়ারম্যান সামমুদ্দিন মুন্সী, ইউনিয়ন আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন, সহসভাপতি মফিজুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক দুুলাল পাটোয়ারী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কাদের, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুম নূর রহমান ও যুবলীগ নেতা শাহীন আলম শাহীন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।