ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

এস এম ইকবাল : সিত্রাং এর প্রভাবের কারনে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ফসলি জমিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পুরো উপজেলায় ৭২ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

Model Hospital

সর জমিনে দেখা যায়, জমির ফসল, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি ছাড়াও সড়কগুলোতে গাছ হেলে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। এদিকে উঠতি আমন ধান ও শাক-সবজি নষ্ট হয়েছে এবং বিদ্যুৎ লাইনের উপর গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে উপজেলার সর্বত্রই বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছে। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ গত রোববার দিবাগত রাতেই বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিস।

কৃষকদের মধ্যে মো. শাহ আলম, শফিকুর রহমান, আবুল খায়ের, আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকেই জানান, তাদের মাঠের ফসল, শাক-সবজি ছাড়াও ঘর-বাড়ি ছাড়াও গাছপালা, বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তারা আরো বলেন, তাদের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা পুরন করা কোন ভাবেই সম্ভব না। তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, রোপা আমন ২৫৫০ হেক্টর এবং শীতকালিন সবজি ১৮০ হেক্টর জমির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার জানান, উপজেলায় এই পর্যন্ত প্রায় ২০ টিরও বেশি ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়া একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, সিত্রাং এর কারণে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ লন্ডভণ্ড হয়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান গাছ-পালা ও বিদ্যুতের খুটি উপড়ে পড়ছে। বিদ্যুত সংযোগ নিরবিচ্ছিন্ন করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসছিমুননেছা জানান, ইউনিয়ন পর্যায় থেকে ক্ষয়-ক্ষতির তথ্য আসতে শুরু করেছে, তবে এখই চুড়ান্ত ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছেনা। তবে যোগাযোগ, ফসল ও বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর শহরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো অ্যাড. হুমায়ুন কবির সুমন

ফরিদগঞ্জে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

এস এম ইকবাল : সিত্রাং এর প্রভাবের কারনে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ফসলি জমিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পুরো উপজেলায় ৭২ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

Model Hospital

সর জমিনে দেখা যায়, জমির ফসল, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি ছাড়াও সড়কগুলোতে গাছ হেলে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। এদিকে উঠতি আমন ধান ও শাক-সবজি নষ্ট হয়েছে এবং বিদ্যুৎ লাইনের উপর গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে উপজেলার সর্বত্রই বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছে। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ গত রোববার দিবাগত রাতেই বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিস।

কৃষকদের মধ্যে মো. শাহ আলম, শফিকুর রহমান, আবুল খায়ের, আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকেই জানান, তাদের মাঠের ফসল, শাক-সবজি ছাড়াও ঘর-বাড়ি ছাড়াও গাছপালা, বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তারা আরো বলেন, তাদের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা পুরন করা কোন ভাবেই সম্ভব না। তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, রোপা আমন ২৫৫০ হেক্টর এবং শীতকালিন সবজি ১৮০ হেক্টর জমির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার জানান, উপজেলায় এই পর্যন্ত প্রায় ২০ টিরও বেশি ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়া একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, সিত্রাং এর কারণে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ লন্ডভণ্ড হয়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান গাছ-পালা ও বিদ্যুতের খুটি উপড়ে পড়ছে। বিদ্যুত সংযোগ নিরবিচ্ছিন্ন করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসছিমুননেছা জানান, ইউনিয়ন পর্যায় থেকে ক্ষয়-ক্ষতির তথ্য আসতে শুরু করেছে, তবে এখই চুড়ান্ত ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছেনা। তবে যোগাযোগ, ফসল ও বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছে।