ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে ড্রাম্প ট্রাকের অত্যাচারে কৃষ্ণপুর মাঠের জমির উর্বর মাটি উজাড়

প্রিয় চাঁদপুর রিপোর্ট : শাহরাস্তিতে হাইড্রোলিক ড্রাম্প ট্রাকের অত্যাচারে পৌর শহরের ১১ নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুরের ইরি ধানের জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া র অভিযোগ উঠেছে।

Model Hospital

রবিবার ১ জানুয়ারি বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যায়, ওই এলাকার কিছু মাটি ব্যবসায়ী ঠাকুর বাজার উয়ারুক ভায়া সাহেব বাজার রাস্তা পার্শ্ববর্তী কৃষ্ণপুর মাঠে ফসলি জমির মাটি হাইড্রোলিক ড্রাম্প ট্রাকে করে অন্যত্র মাটি নিয়ে যাচ্ছে।

এতে করে জমির উর্বর মাটি ও সরকারি রাস্তায় হাইড্রোলিক ড্রাম ট্রাকের ওভারলোডের ফলে রাস্তার সক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পার্শ্ববর্তী জমির মালিক স্থানীয় এলাকাবাসী ও রাস্তায় চলাচলকারী অটো সিএনজি সাইকেল আরোহী বিদ্যালয় গামী স্কুল ব্যানের চালকরা চরম উৎকণ্টার মধ্যে রয়েছে।

এরমধ্যেই অটোচালক জসীমউদ্দীন জানান, মাটি বোঝাই ট্রাক গুলো বেপরোয়া গতিতে যাতায়াত করছে। তারা মাটির টিব বাড়ানোর জন্য ছোট রাস্তায় দ্রুত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

অন্যদিকে কৃষ্ণপুর মাঠের জমির মালিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, কিছু ভূমির মালিক কে ওই মাটির দালাল চক্র অতিরিক্ত টাকার লোভ দেখিয়ে প্রথমে মাটি কেটে পার্শ্ববর্তী জমিনকে উঁচু-নিচু করে ঝুঁকিতে পেলছে। পরে বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী জমির ওই মালিক সাথের জমিটির সঙ্গে সমান্তরাল করতে গিয়ে সেও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এভাবে দালাল চক্র মাঠের পর মাঠের উর্বর মাটি নিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র ভরাট কাজে। এর বিনিময় তারা প্রতিটি মাটির টিবে হাতিয়ে নিচ্ছে আড়াই হাজার টাকা থেকে তিন হাজার টাকা।

এই বিষয়গুলি ভুক্তভোগী মালিকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন। তারপরও ওই মাটির দালাল চক্র ২০ থেকে ২৫ টি হাইড্রোলিক ট্রাম ট্রাক দিয়ে কৃষ্ণপুর মাঠে মাটি নিয়ে যাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা আরো বলছেন, বর্তমানে বিদেশে দেশে খাদ্যর উচ্চ মূল্যে ও সংকটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে প্রতি ইঞ্চি মাটি কাজে লাগিয়ে ফসল উৎপাদনের কথা বলছেন। সেখানে ওই মাটির দালাল চক্র ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও এলাকাবাসীর অভিযোগের তোয়াক্কা না করে মাটি কেটে দিচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দালাল চক্রের ক্ষমতার উৎস কোথায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

শাহরাস্তিতে ড্রাম্প ট্রাকের অত্যাচারে কৃষ্ণপুর মাঠের জমির উর্বর মাটি উজাড়

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

প্রিয় চাঁদপুর রিপোর্ট : শাহরাস্তিতে হাইড্রোলিক ড্রাম্প ট্রাকের অত্যাচারে পৌর শহরের ১১ নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুরের ইরি ধানের জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া র অভিযোগ উঠেছে।

Model Hospital

রবিবার ১ জানুয়ারি বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যায়, ওই এলাকার কিছু মাটি ব্যবসায়ী ঠাকুর বাজার উয়ারুক ভায়া সাহেব বাজার রাস্তা পার্শ্ববর্তী কৃষ্ণপুর মাঠে ফসলি জমির মাটি হাইড্রোলিক ড্রাম্প ট্রাকে করে অন্যত্র মাটি নিয়ে যাচ্ছে।

এতে করে জমির উর্বর মাটি ও সরকারি রাস্তায় হাইড্রোলিক ড্রাম ট্রাকের ওভারলোডের ফলে রাস্তার সক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পার্শ্ববর্তী জমির মালিক স্থানীয় এলাকাবাসী ও রাস্তায় চলাচলকারী অটো সিএনজি সাইকেল আরোহী বিদ্যালয় গামী স্কুল ব্যানের চালকরা চরম উৎকণ্টার মধ্যে রয়েছে।

এরমধ্যেই অটোচালক জসীমউদ্দীন জানান, মাটি বোঝাই ট্রাক গুলো বেপরোয়া গতিতে যাতায়াত করছে। তারা মাটির টিব বাড়ানোর জন্য ছোট রাস্তায় দ্রুত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

অন্যদিকে কৃষ্ণপুর মাঠের জমির মালিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, কিছু ভূমির মালিক কে ওই মাটির দালাল চক্র অতিরিক্ত টাকার লোভ দেখিয়ে প্রথমে মাটি কেটে পার্শ্ববর্তী জমিনকে উঁচু-নিচু করে ঝুঁকিতে পেলছে। পরে বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী জমির ওই মালিক সাথের জমিটির সঙ্গে সমান্তরাল করতে গিয়ে সেও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এভাবে দালাল চক্র মাঠের পর মাঠের উর্বর মাটি নিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র ভরাট কাজে। এর বিনিময় তারা প্রতিটি মাটির টিবে হাতিয়ে নিচ্ছে আড়াই হাজার টাকা থেকে তিন হাজার টাকা।

এই বিষয়গুলি ভুক্তভোগী মালিকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন। তারপরও ওই মাটির দালাল চক্র ২০ থেকে ২৫ টি হাইড্রোলিক ট্রাম ট্রাক দিয়ে কৃষ্ণপুর মাঠে মাটি নিয়ে যাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা আরো বলছেন, বর্তমানে বিদেশে দেশে খাদ্যর উচ্চ মূল্যে ও সংকটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে প্রতি ইঞ্চি মাটি কাজে লাগিয়ে ফসল উৎপাদনের কথা বলছেন। সেখানে ওই মাটির দালাল চক্র ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও এলাকাবাসীর অভিযোগের তোয়াক্কা না করে মাটি কেটে দিচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দালাল চক্রের ক্ষমতার উৎস কোথায়।