ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আন্ত:নগর মেঘনা এক্সপ্রেস হাসানপুরে দুর্ঘটনায় পড়ায়

পৌনে ৫ ঘন্টা বিলম্বে গন্তব্যে, শত-শত শিশু ও মহিলা যাত্রী গরমে দুর্ভোগ

চাঁদপুর-চট্রগ্রামের মধ্যে প্রতিদিন চলাচলকারী আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস পৌনে ৫ ঘন্টা বিলম্বে রাত ২টা ১৭ মিনিটে চাঁদপুর গন্তব্যেস্থাানে পৌছায়।

Model Hospital

এতে করে এ ট্রেনে থাকা শত-শত দক্ষিনাঞ্চলীয় ট্রেনের যাত্রীরা প্রচন্ড গরমের মধ্যে রমজানের রোজার মধ্যে রোজা রেখে মারাত্বক ভাবে দুর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।

এ সব যাত্রীরা এখন চাঁদপুর এসে নৌ-টার্মিনালে বসে দক্ষীনাঞ্চলীয় লঞ্চের অপেক্ষায় টার্মিনালে বসে থেকে অপেক্ষার প্রহর গুনছে।

ঘটনার পর পর যে সকল যাত্রীর নিকট অর্থ ছিল তারা বাস বা অন্যকোন উপায়ে লাকসাম হয়ে চাঁদপুরসহ বিভিন্নস্থাানে ও দক্ষিনাঞ্চলে গন্তব্যে চলে যায় বলে যাত্রীরা জানান। যাদের অর্থ সীমিত ছিল তারা এ পৌনে ৫ঘন্টা পরিবার পরিজন নিয়ে মারাত্বক দূর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।

 এ ঘটনাটি ঘটেছে,রোববার(১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কুমিল্লা-চট্রগ্রাম রেলপথের লাকসামের অদূরে হাসানপুর নামক রেলস্টেশন ইয়ার্ডের ভিতরে।

এ পৌনে ৫ঘন্টা ট্রেনের মধ্যে থাকা শত-শত যাত্রী আটকা পড়ে দূর্ভোগ পৌহায়। তারা গন্তব্যে পৌছার জন্য ও জীবন বাচাঁতে পানি ও খাদ্য সংকটের মধ্যে মারাত্বক ভাবে কষ্ট শিকার করতে হয়েছে। এ সময় শত-শত শিশু ও মহিলা যাত্রীরা সবচেয়ে বেশী দূর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।

যাত্রীরা মারাত্বক দুর্ভোগে পড়লেও যাত্রীদেরকে রেলওয়ের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ থেকে খাদ্য,পানিসহ কোন ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়নি বলে অসংখ্য যাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে।

চট্রগ্রাম রেলওয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে,চট্রগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে রোববার(১৬এপ্রিল) বিকেল ৫টায় আন্ত:নগর সোনার বাংলা এক্রপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদের্শে চট্রগ্রাম ত্যাগ করে। পথিমধ্যে কুমিল্লার হাসানপুর নামকস্থান দিয়ে যাওয়ার সময় হাসানপুর স্টেশনে দাড়িয়ে থাকা মালবাহী একটি ট্রেনের উপর উঠে যায়। এতে ঘটনা¯’লে বড় ধরনের মারাত্বক দূর্ঘটনা ঘটে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ট্রগ্রাম রেলওয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, রোববার চট্রগ্রাম থেকে বিকেল সোয়া ৫টায় চাঁদপুর অভিমূখি আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস ৭২৯ নাম্বার ডাউন ট্রেনটি সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসে। এ ট্রেনটি রাত সাড়ে ৯টায় চাঁদপুর এসে পৌছার কথা। পথিমধ্যে হাসানপুর দূর্ঘটনার কারনে মেঘনা এক্রপ্রেস বিভিন্নস্থানে অবস্থা নেওয়ায় বিলম্ব হতে থাকে। পরে মেঘনা এক্রপ্রেস হাসানপুর নামকস্থান এসে দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা আটকা পড়ে থাকে।

সেখানে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ছেড়ে আসা কয়েকটি ট্রেনও আটকা পড়ে। এতে করে  আন্ত:নগর মেঘনা এক্সপ্রেসে আটকা পড়া ট্রেনের ভিতরে অবস্থান নেওয়া শতশত বিভিন্নস্থানের যাত্রীরা মারাত্বক দূর্ভোগে পড়ে  কষ্ট শিকার করে পৌনে ৫ঘন্টা বিলম্বে চাঁদপুরে এসে পৌছে রাত ২টা ১৭ মিনিটে।

 এ ঘটনায় কারনে চাঁদপুর থেকে লঞ্চযোগে দক্ষিনাঞ্চলের উদের্শে যাওয়া যাত্রীরা ট্রেনে আটকা পড়ে থেকে মারাত্বক দূর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে। দক্ষীনাঞ্চলীয় যাত্রীরা আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস ট্রেনের বিলম্বের কারনে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ গুলো রোববার রাত ১০ থেকে ১১ পর্যন্ত চাঁদপুরে নৌ-টার্মিনালে থেকে গন্তব্যের উর্দ্দেশে চলে যায়। বিলম্বে আসা ট্রেনের কারনে দক্ষীনাঞ্চলীয় যাত্রীরা লঞ্চ না’পেয়ে চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে সোমবার(১৭এপ্রিল) দিনভর অবস্থান নিয়ে মারাত্বক দূর্ভোগ পৌহাতে দেখা যায়। আজ সোমবার রাতে ঢাকা থেকে লঞ্চ চাঁদপুর আসলে দক্ষিনাঞ্চলীয় যাত্রীরা সে সব লঞ্চে করে তাদের গন্তব্যে মঙ্গলবার গিয়ে পৌছবে।

এদিকে,আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস ট্রেনের বিলম্বের কারনে ট্রেন চাঁদপুর আসার পর স্থানীয় স্টেশন এলাকার ওয়াস ফিটে দায়িত্বরতরা ট্রেনের ভিতরে ওয়াস করেনি। ওয়াস না করায় আজ সোমবার অপরিস্কার ও দূরগর্ন্ধ অবস্থায় মেঘনা ট্রেনটি চাঁদপুর থেকে চট্রগ্রামের উর্দ্দেশে যাত্রা করে বলে অসংখ্য যাত্রীরা জানান। তারা এ সময় নোংরা পরিস্থিতির কারনে চাঁদপুরের স্টেশন মাস্টার শোহেবুর রহমান শিকদারের নিকট অভিযোগ জানিয়েছেন বলে যাত্রীরা জানান।

 এ বিষয়ে চট্রগ্রাম থেকে পৌনে ৫ঘন্টা বিলম্বে আসা একজন যাত্রী মো: ফাহিম হোসেন ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী জানান,চট্রগ্রাম থেকে মেঘনা ট্রেনটি ছেড়ে আসার প্রায় ১ ঘন্টা পর থেকে বিভিস্থানে থামিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় জানা যায়,সোনার বাংলাএকপ্রেস ট্রেনটি দূর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

পরে ধীর গতিতে চলতে চলতে মেঘনা একপ্রেস ট্রেনটি দূর্ঘটনা ঘটাস্থলে আসলে দেখতে পাই একটি ট্রেনের বগি উপর অন্য ট্রেনের বগির উপরে উঠে দূর্ঘটনা ঘটেছে। তবে তখন জানতে পারি সোনার বাংলা ট্রেনের সামনে যাত্রী কম ছিল। যাত্রী ছিল ট্রেনের পিছনের অংশে বেশী। যার ফলে বেশী যাত্রী আহত হয়নি। তা’না হলে অনেক যাত্রী আহত হতো ও মারা যেত। তিনি আরো বলেন,দূর্ঘটনাস্থলে সোনার বাংলা ট্রেন দূর্ঘটনার শিকার হয়ে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি ছুটে গিয়ে পার্শ্ববর্তী  খেতে পড়ে যায়। মেঘনা ট্রেনটি ৫ঘন্টা বিলম্বে চাঁদপুর আসে। তবে ট্রেনের যাত্রীরা পানি ও খাদ্য না পেয়ে অনেক বেশী দূর্ভোগে পড়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আন্ত:নগর মেঘনা এক্সপ্রেস হাসানপুরে দুর্ঘটনায় পড়ায়

পৌনে ৫ ঘন্টা বিলম্বে গন্তব্যে, শত-শত শিশু ও মহিলা যাত্রী গরমে দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ০২:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩

চাঁদপুর-চট্রগ্রামের মধ্যে প্রতিদিন চলাচলকারী আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস পৌনে ৫ ঘন্টা বিলম্বে রাত ২টা ১৭ মিনিটে চাঁদপুর গন্তব্যেস্থাানে পৌছায়।

Model Hospital

এতে করে এ ট্রেনে থাকা শত-শত দক্ষিনাঞ্চলীয় ট্রেনের যাত্রীরা প্রচন্ড গরমের মধ্যে রমজানের রোজার মধ্যে রোজা রেখে মারাত্বক ভাবে দুর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।

এ সব যাত্রীরা এখন চাঁদপুর এসে নৌ-টার্মিনালে বসে দক্ষীনাঞ্চলীয় লঞ্চের অপেক্ষায় টার্মিনালে বসে থেকে অপেক্ষার প্রহর গুনছে।

ঘটনার পর পর যে সকল যাত্রীর নিকট অর্থ ছিল তারা বাস বা অন্যকোন উপায়ে লাকসাম হয়ে চাঁদপুরসহ বিভিন্নস্থাানে ও দক্ষিনাঞ্চলে গন্তব্যে চলে যায় বলে যাত্রীরা জানান। যাদের অর্থ সীমিত ছিল তারা এ পৌনে ৫ঘন্টা পরিবার পরিজন নিয়ে মারাত্বক দূর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।

 এ ঘটনাটি ঘটেছে,রোববার(১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কুমিল্লা-চট্রগ্রাম রেলপথের লাকসামের অদূরে হাসানপুর নামক রেলস্টেশন ইয়ার্ডের ভিতরে।

এ পৌনে ৫ঘন্টা ট্রেনের মধ্যে থাকা শত-শত যাত্রী আটকা পড়ে দূর্ভোগ পৌহায়। তারা গন্তব্যে পৌছার জন্য ও জীবন বাচাঁতে পানি ও খাদ্য সংকটের মধ্যে মারাত্বক ভাবে কষ্ট শিকার করতে হয়েছে। এ সময় শত-শত শিশু ও মহিলা যাত্রীরা সবচেয়ে বেশী দূর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।

যাত্রীরা মারাত্বক দুর্ভোগে পড়লেও যাত্রীদেরকে রেলওয়ের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ থেকে খাদ্য,পানিসহ কোন ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়নি বলে অসংখ্য যাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে।

চট্রগ্রাম রেলওয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে,চট্রগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে রোববার(১৬এপ্রিল) বিকেল ৫টায় আন্ত:নগর সোনার বাংলা এক্রপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদের্শে চট্রগ্রাম ত্যাগ করে। পথিমধ্যে কুমিল্লার হাসানপুর নামকস্থান দিয়ে যাওয়ার সময় হাসানপুর স্টেশনে দাড়িয়ে থাকা মালবাহী একটি ট্রেনের উপর উঠে যায়। এতে ঘটনা¯’লে বড় ধরনের মারাত্বক দূর্ঘটনা ঘটে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ট্রগ্রাম রেলওয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, রোববার চট্রগ্রাম থেকে বিকেল সোয়া ৫টায় চাঁদপুর অভিমূখি আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস ৭২৯ নাম্বার ডাউন ট্রেনটি সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসে। এ ট্রেনটি রাত সাড়ে ৯টায় চাঁদপুর এসে পৌছার কথা। পথিমধ্যে হাসানপুর দূর্ঘটনার কারনে মেঘনা এক্রপ্রেস বিভিন্নস্থানে অবস্থা নেওয়ায় বিলম্ব হতে থাকে। পরে মেঘনা এক্রপ্রেস হাসানপুর নামকস্থান এসে দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা আটকা পড়ে থাকে।

সেখানে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ছেড়ে আসা কয়েকটি ট্রেনও আটকা পড়ে। এতে করে  আন্ত:নগর মেঘনা এক্সপ্রেসে আটকা পড়া ট্রেনের ভিতরে অবস্থান নেওয়া শতশত বিভিন্নস্থানের যাত্রীরা মারাত্বক দূর্ভোগে পড়ে  কষ্ট শিকার করে পৌনে ৫ঘন্টা বিলম্বে চাঁদপুরে এসে পৌছে রাত ২টা ১৭ মিনিটে।

 এ ঘটনায় কারনে চাঁদপুর থেকে লঞ্চযোগে দক্ষিনাঞ্চলের উদের্শে যাওয়া যাত্রীরা ট্রেনে আটকা পড়ে থেকে মারাত্বক দূর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে। দক্ষীনাঞ্চলীয় যাত্রীরা আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস ট্রেনের বিলম্বের কারনে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ গুলো রোববার রাত ১০ থেকে ১১ পর্যন্ত চাঁদপুরে নৌ-টার্মিনালে থেকে গন্তব্যের উর্দ্দেশে চলে যায়। বিলম্বে আসা ট্রেনের কারনে দক্ষীনাঞ্চলীয় যাত্রীরা লঞ্চ না’পেয়ে চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে সোমবার(১৭এপ্রিল) দিনভর অবস্থান নিয়ে মারাত্বক দূর্ভোগ পৌহাতে দেখা যায়। আজ সোমবার রাতে ঢাকা থেকে লঞ্চ চাঁদপুর আসলে দক্ষিনাঞ্চলীয় যাত্রীরা সে সব লঞ্চে করে তাদের গন্তব্যে মঙ্গলবার গিয়ে পৌছবে।

এদিকে,আন্ত:নগর মেঘনা এক্রপ্রেস ট্রেনের বিলম্বের কারনে ট্রেন চাঁদপুর আসার পর স্থানীয় স্টেশন এলাকার ওয়াস ফিটে দায়িত্বরতরা ট্রেনের ভিতরে ওয়াস করেনি। ওয়াস না করায় আজ সোমবার অপরিস্কার ও দূরগর্ন্ধ অবস্থায় মেঘনা ট্রেনটি চাঁদপুর থেকে চট্রগ্রামের উর্দ্দেশে যাত্রা করে বলে অসংখ্য যাত্রীরা জানান। তারা এ সময় নোংরা পরিস্থিতির কারনে চাঁদপুরের স্টেশন মাস্টার শোহেবুর রহমান শিকদারের নিকট অভিযোগ জানিয়েছেন বলে যাত্রীরা জানান।

 এ বিষয়ে চট্রগ্রাম থেকে পৌনে ৫ঘন্টা বিলম্বে আসা একজন যাত্রী মো: ফাহিম হোসেন ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী জানান,চট্রগ্রাম থেকে মেঘনা ট্রেনটি ছেড়ে আসার প্রায় ১ ঘন্টা পর থেকে বিভিস্থানে থামিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় জানা যায়,সোনার বাংলাএকপ্রেস ট্রেনটি দূর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

পরে ধীর গতিতে চলতে চলতে মেঘনা একপ্রেস ট্রেনটি দূর্ঘটনা ঘটাস্থলে আসলে দেখতে পাই একটি ট্রেনের বগি উপর অন্য ট্রেনের বগির উপরে উঠে দূর্ঘটনা ঘটেছে। তবে তখন জানতে পারি সোনার বাংলা ট্রেনের সামনে যাত্রী কম ছিল। যাত্রী ছিল ট্রেনের পিছনের অংশে বেশী। যার ফলে বেশী যাত্রী আহত হয়নি। তা’না হলে অনেক যাত্রী আহত হতো ও মারা যেত। তিনি আরো বলেন,দূর্ঘটনাস্থলে সোনার বাংলা ট্রেন দূর্ঘটনার শিকার হয়ে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি ছুটে গিয়ে পার্শ্ববর্তী  খেতে পড়ে যায়। মেঘনা ট্রেনটি ৫ঘন্টা বিলম্বে চাঁদপুর আসে। তবে ট্রেনের যাত্রীরা পানি ও খাদ্য না পেয়ে অনেক বেশী দূর্ভোগে পড়ে।