ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে নৌকা ও মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে দুই সহোদরের লড়াই

মোঃ মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ইউপি চেয়ারম্যান পদে  নৌকা ও মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে দুই সহোদর নির্বাচনী মাঠে তুমুল যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। নির্বাচনী ওই মাঠে দুই সহোদরের লড়াইয়ের আমেজ উপভোগ করছেন উপজেলার মেহের উত্তর ইউপির ভোটার ও জনগণ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুই সহোদরের ছোট ভাই মোঃ মনির হোসেন বাংলাদেশ আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে এবং বড় ভাই মোঃ বিল্লাল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ওই ইউপির দেবীপুর গ্রামের মৃতঃ মফিজুল ইসলামের ছোট ছেলে মোঃ মনির হোসেন বিগত নির্বাচনে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের উপ গণশিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বড় ভাই মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রবাস জীবন কাটিয়ে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রবাসে থাকা অবস্থায় তিনি ও সৌদি আরবের মদিনা সেন্ট্রাল আলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত নির্বাচনে ছোটভাই মনির ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর২০১৮ সালে বড় ভাই বিল্লাল ৩২ বছরের প্রবাস জীবনের পরিসমাপ্তি করে  দেশে আসেন। এরই মধ্যে দুই ভাইয়ের পারিবারিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মতনৈক্য তৈরি হয়। ওই বিবাদকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই মনির বর্তমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বড় ভাই বিল্লাল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন।
এদিকে এ বিষয়ে বড় ভাই বিল্লাল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, মূলত পারিবারিক বিরোধ এবং  তার যোগ্যতা থাকায় তিনি প্রার্থী হয়েছেন।
অন্যদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে বলে দল আমাকে নৌকা প্রতীক উপহার দিয়েছে। আশা করি আমি কামিআপ হবো। এছাড়া তিনি (বিল্লাল) নৌকা প্রতীককে পরাজিত করতে আমার অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে  যোগসাজশে এ কাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। এদিকে স্থানীয় ভোটারদের মাঝে দুই সহোদরের প্রার্থিতার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,  আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে  ওই ইউপির ৯টি ভোটকেন্দ্রের ২৩  টি ভোটকক্ষের ৩ হাজার ৬শ ৯৬ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৭ শ ১১ জন নারী ভোটারসহ সর্বমোট  ৭হাজার ৪ শ ০৭ ভোটার ওই ইউপিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তাতে ভোটাররাই  সিদ্ধান্ত নিবেন  কোন প্রার্থী যোগ্য।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

শাহরাস্তিতে নৌকা ও মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে দুই সহোদরের লড়াই

আপডেট সময় : ০৩:১৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২১
মোঃ মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ইউপি চেয়ারম্যান পদে  নৌকা ও মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে দুই সহোদর নির্বাচনী মাঠে তুমুল যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। নির্বাচনী ওই মাঠে দুই সহোদরের লড়াইয়ের আমেজ উপভোগ করছেন উপজেলার মেহের উত্তর ইউপির ভোটার ও জনগণ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুই সহোদরের ছোট ভাই মোঃ মনির হোসেন বাংলাদেশ আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে এবং বড় ভাই মোঃ বিল্লাল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ওই ইউপির দেবীপুর গ্রামের মৃতঃ মফিজুল ইসলামের ছোট ছেলে মোঃ মনির হোসেন বিগত নির্বাচনে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের উপ গণশিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বড় ভাই মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রবাস জীবন কাটিয়ে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রবাসে থাকা অবস্থায় তিনি ও সৌদি আরবের মদিনা সেন্ট্রাল আলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত নির্বাচনে ছোটভাই মনির ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর২০১৮ সালে বড় ভাই বিল্লাল ৩২ বছরের প্রবাস জীবনের পরিসমাপ্তি করে  দেশে আসেন। এরই মধ্যে দুই ভাইয়ের পারিবারিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মতনৈক্য তৈরি হয়। ওই বিবাদকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই মনির বর্তমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বড় ভাই বিল্লাল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন।
এদিকে এ বিষয়ে বড় ভাই বিল্লাল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, মূলত পারিবারিক বিরোধ এবং  তার যোগ্যতা থাকায় তিনি প্রার্থী হয়েছেন।
অন্যদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে বলে দল আমাকে নৌকা প্রতীক উপহার দিয়েছে। আশা করি আমি কামিআপ হবো। এছাড়া তিনি (বিল্লাল) নৌকা প্রতীককে পরাজিত করতে আমার অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে  যোগসাজশে এ কাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। এদিকে স্থানীয় ভোটারদের মাঝে দুই সহোদরের প্রার্থিতার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,  আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে  ওই ইউপির ৯টি ভোটকেন্দ্রের ২৩  টি ভোটকক্ষের ৩ হাজার ৬শ ৯৬ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৭ শ ১১ জন নারী ভোটারসহ সর্বমোট  ৭হাজার ৪ শ ০৭ ভোটার ওই ইউপিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তাতে ভোটাররাই  সিদ্ধান্ত নিবেন  কোন প্রার্থী যোগ্য।