শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

আমার রক্তের সাথে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ : যুবলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৮:০৩ পিএম
আমার রক্তের সাথে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ : যুবলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠনক ও সাবেক চাঁদপুর জেলা কৃষক লীগের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক ভূইয়ার সুযোগ্য সন্তান যুবলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল ভূইয়া।

তিনি ১৯৮৮ সালে চাঁদপুর পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮৯ সালে চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, ১৯৯১ – ১৯৯৫ সালে চাঁদপুর জেলা ছাত্র লীগের যুগ্ম সম্পাদক, ১৯৯৫-১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য, ১৯৯৭-২০০০ সালে চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক, ২০০০-২০০৪ সালে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য, ২০০৪-২০১৩ সালে আওয়ামী যুবলীগের

চাঁদপুর জেলা যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, বর্তমানে ২০১৩-এখন পর্যন্ত আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আসছে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। সর্বত্র আলোচনা সমালোচনার ঝড় চাঁদপুর সদর উপজেলার পরিষদ নির্বাচন নিয়ে? কে হচ্ছে চেয়ারম্যান প্রার্থী!

Model Hospital

চাঁদপুর সদর উপজেলার মোট ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছ, ১ টি প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা রয়েছে। সবখানে মোটামুটি যোগ্য যুবনেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল ভূইয়ার কথা শোনা যাচ্ছে সবস্থানে!

এই নেতার চারপুরুষ সকলেই আওয়ামীলীগ। এই নেতা ওয়ার্ড ছাত্রলীগ থেকে, স্কুল ছাত্রলীগ, কলেজ ছাত্রলীগ, তারপর চাঁদপুর জেলা যুবলীগ। বাংলাদেশ আওয়ামী-যুবলীগ চাঁদপুর জেলা শাখার ত্যাগী এবং কর্মী বান্ধব নেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল আজও রাজপথ তার দখলে। প্রাণপ্রিয় দল আওয়ামী যুবলীগের জন্য আজ সংগ্রাম করে যাচ্ছে রাজপথে। ছাত্রজীবন থেকে শুরু হচ্ছে – ’৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে এবং বিএনপি ও জামায়াতে হামলা / মামলা শিকার হতে হয়েছে।

উল্লেখ যে, দেশ স্বাধীনের পর পর চাঁদপুর সদরের এক- তৃতীয়াংশের আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন যুবনেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল ভূইয়ার পিতা মরহুম আব্দুল মালেক ভূইয়া। সেই ত্যাগী মানুষদের আজ কদর নেই! এ যুবনেতা আজও দলের বিপক্ষে কথা বলে না এবং দল যা বলে সেইটা সমর্থন করেন। দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে চাঁদপুর জেলা যুবলীগের (প্রায়) দায়িত্ব পালন করে আসছে। এ নেতা জনপ্রিয়তা সবার শীর্ষে (বর্তমান)। তিনি সকল নেতাকর্মীদের পাশে থাকছেন সারাক্ষণ। যার যা সমস্যা হয়ে সেখানেই ছুটে যায় এবং সমাধান করে।

এ কারনে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতিলীগ, স্বেচ্ছাসবকলীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনের সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এক কথায় জনপ্রিয় যুবনেতা! তিনি চাঁদপুর জেলা যুবলীগ অহংকার! সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের দাবি এই সত্য, যোগ্য ও আর্দশবান যুবনেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল ভূইয়াকে চাঁদপুর সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখা চান চাঁদপুর সদর বাসী। অদ্যবধি আওয়ামী রাজনীতির সকল কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তথা জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল এবং উন্নত সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।

চাঁদপুর -৩ আসনের সংসদ সদস্য ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি। এ ব্যাপারে মন্ত্রী সুদৃষ্টি কামনায়- চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী যোগ্য সৎ, মেধাবী, হাজারো নেতাকর্মীর অভিভাবক বিপ্লবী যুবনেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল ভূইয়া।

মাহফুজুর রহমান টুটুল ভূইয়া বলেন, আমার রক্তের সাথে মিশে আছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুর আর্দশ। যার রক্তে শুধু আওয়ামীগীল আর আওয়ামীলীগ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে কখন বেঈমানী করিনি। দলের দুর্দিনে ও মানুষের পাশে থেকে জনগনের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। অর্থ, শ্রম, ঘাম দিয়ে দিনরাত দলের জন্য কাজ করছি।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’