ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শতবর্ষী মহামায়া বাজারের অব্যবস্থাপনায় তিক্ত ক্রেতা-বিক্রেতা সহ জনসাধারণ

  • মাসুদ হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 177
চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র হচ্ছে মহামায়া বাজার। চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের কোল ঘেঁষা এ বাজারটিতে দীর্ঘ এক যুগের মতো ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমানে তা অভিভাবক শূন্য। শতবর্ষী এ বাজারটির দিকে তাকালে মুখ ফিরিয়ে নিতেই ইচ্ছে করবে যেকারো।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) সরেজমিনে গিয়ে বাজারটি ঘুরে দেখা যায়, ঐতিহ্যবাহী এ বাজার ব্যবসায়ীদের মনগড়া সিদ্ধান্তে চলে ব্যবসা বাণিজ্য। যে যার মত করে মালামাল সাজিয়ে দখল করে নিয়েছে  গলিগুলো। রোগী নিয়ে একটি রিকশাও চলাচলের স্থান রাখেনি বেশিরভাগ গলির পাশের ব্যবসায়ীরা। পথচারী কিংবা ক্রেতা সাধারণ হাটতে গিয়ে খেতে হয় ব্যবসায়ীদের সাজানো মালামালের সাথে ধাক্কা।
এছাড়াও বাজারের উপর চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে অস্থায়ী কাঁচা বাজার, হকার আর অটো স্ট্যান্ডের কারনে যানজট লেগে থাকে প্রতিনিয়ত। সেই সাথে বাজার ব্যবসায়ীদের বর্জ্য ফেলার জন্য নেই কোন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন। এতে করে যে যার মত এদিক সেদিক ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছেন ব্যবসায়ীরা। ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বাজারের ভিতর। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতাসহ বাজারে আগত জনসাধারণ।
গত বছর এ বাজারটি থেকে সরকার প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা রাজস্ব নিলেও উন্নয়ন হয়নি এক টাকারও। উন্নয়নহীন এ বাজারের শৌচাগারে গেলে দম বন্ধ হয়ে আসে নোংরা পরিবেশ আর দুর্গন্ধে। এই শৌচাগারটিতে যেতে চান না বেশিরভাগ ব্যবসায়ী কিংবা জনসাধারণ। ব্যস্ততম এ বাজারটিতে রাতের বেলায় ব্যবসায়ীরা তাদের রেখে যাওয়া মালমাল রেখে যান অনিশ্চয়তায়। পাহারা দেয়ার জন্য অন্তত ৫-৬ জন নাইট গার্ড থাকার কথা থাকলেও মাত্র অস্থায়ী দুইজন নাইট গার্ড দিয়ে চলছে এত বড় বাজারের নিরাপত্তার কার্যক্রম। যা কোন অবস্থাতেই পর্যাপ্ত নয়। যার অভাবে প্রতি মাসে দুই চারটি চুরির ঘটনা ঘটছে এ বাজারটিতে। এই ভয়ে অনেক ব্যবসায়ীরা দোকানেই রাত্রী যাপন করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আবার অনেক ব্যবসায়ীরা এসব চুরি ঠেকাতে নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপন করেছে সিসি ক্যামেরা।
বাজারে বর্তমানে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কোন দোকানে অগ্নিকান্ড ঘটলে বাজারের আশেপাশে কোন পানি না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসেও বিপাকে পড়তে হয়। এতে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে ঐ ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদেরকে।
নিয়ন্ত্রণহীন এই বাজারের ব্যবসীরা তাদের মনগড়া দামে বিক্রি করছেন পণ্যসামগ্রী। যা আশপাশের বাজারের তুলনায় একটু ব্যতিক্রম। এতে সাধারণ ক্রেতারা দীর্ঘদিন যাবত অভিযোগ করছে পণ্য ভিত্তিক সিন্ডিকেট নিয়ে। এদিকে নির্দিষ্ট কোন পরিচালনা কমিটি না থাকায় ব্যবসায়ীরাও তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারছেন না কারো কাছে। অস্থায়ী দু চারজন ব্যবসীদের দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছেন বাজারের আয় ব্যায় হিসাব। এ নিয়ে চাঁদপুরের স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে বহুবার সংবাদ প্রকাশ হলেও নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা। পদাধিকার বলে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারীকে বাজার ব্যবসায়ীরা জোড় দাবী জানালেও কোন ব্যবস্থা নেন নি তিনি। চাঁদপুর সদর, হাজীগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুষের জনসমাগম ঘটে এ বাজারটিতে।
উৎপাদন কারখানা, আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান সহ জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই এলাকায় থাকায় এই বাজারের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও এই বাজারের চতুর্দিকে রয়েছে মাদ্রাসা, ব্যাংক-বীমা, এনজিও সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এ সকল প্রতিষ্ঠান থাকার কারণে এই এলাকায় ঘনবসতি দিন দিন বেড়েই চলছে। তাদের কেনা কাটার নির্ভরযোগ্য বাজার হচ্ছে মহামায়া। এ বাজারে প্রতিনিয়ত দূর-দূরান্ত থেকে বাজার করতে আসে শত শত মানুষ। বাজারটি আশপাশের মধ্যে সবচেয়ে বড় হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতা সমাগমও ঘটে ব্যাপক। কিন্তু সবচেয়ে সমস্যার বিষয় হচ্ছে, মহামায়া বাজারে নেই কোন শৃঙ্খলা, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রিক। তাই প্রাথমিক ভাবে একটি উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে বাজারের সার্বিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে বাজারের নিত্যদিনের সমস্যাগুলি সমাধান হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, আমরা বাজারের ব্যবসায়ী হয়ে কোন সুযোগ সুবিধা পাইনি। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত এ বাজারে কমিটি না থাকায় বাজারের এখন বেহাল অবস্থা। অনিশ্চিত নিরাপত্তায় লাখ লাখ টাকার মালামাল রেখে বাড়িতে যেতে হয়। অসংখ্য সমস্যায় জর্জরিত ঐতিহ্যবাহী এ বাজারটি। ব্যস্ততম এ বাজারের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছি।
পদাধিকার বলে বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও শাহমাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী বলেন, গ্রাম পুলিশ নিয়ে বাজারের সাময়িক সমস্যাগুলো নিরসনে কাজ করা হবে। তবে এতে প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, খুব সহসাই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে বাজারের সাময়িক সমস্যাগুলো জেনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

শতবর্ষী মহামায়া বাজারের অব্যবস্থাপনায় তিক্ত ক্রেতা-বিক্রেতা সহ জনসাধারণ

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র হচ্ছে মহামায়া বাজার। চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের কোল ঘেঁষা এ বাজারটিতে দীর্ঘ এক যুগের মতো ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমানে তা অভিভাবক শূন্য। শতবর্ষী এ বাজারটির দিকে তাকালে মুখ ফিরিয়ে নিতেই ইচ্ছে করবে যেকারো।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) সরেজমিনে গিয়ে বাজারটি ঘুরে দেখা যায়, ঐতিহ্যবাহী এ বাজার ব্যবসায়ীদের মনগড়া সিদ্ধান্তে চলে ব্যবসা বাণিজ্য। যে যার মত করে মালামাল সাজিয়ে দখল করে নিয়েছে  গলিগুলো। রোগী নিয়ে একটি রিকশাও চলাচলের স্থান রাখেনি বেশিরভাগ গলির পাশের ব্যবসায়ীরা। পথচারী কিংবা ক্রেতা সাধারণ হাটতে গিয়ে খেতে হয় ব্যবসায়ীদের সাজানো মালামালের সাথে ধাক্কা।
এছাড়াও বাজারের উপর চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে অস্থায়ী কাঁচা বাজার, হকার আর অটো স্ট্যান্ডের কারনে যানজট লেগে থাকে প্রতিনিয়ত। সেই সাথে বাজার ব্যবসায়ীদের বর্জ্য ফেলার জন্য নেই কোন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন। এতে করে যে যার মত এদিক সেদিক ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছেন ব্যবসায়ীরা। ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বাজারের ভিতর। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতাসহ বাজারে আগত জনসাধারণ।
গত বছর এ বাজারটি থেকে সরকার প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা রাজস্ব নিলেও উন্নয়ন হয়নি এক টাকারও। উন্নয়নহীন এ বাজারের শৌচাগারে গেলে দম বন্ধ হয়ে আসে নোংরা পরিবেশ আর দুর্গন্ধে। এই শৌচাগারটিতে যেতে চান না বেশিরভাগ ব্যবসায়ী কিংবা জনসাধারণ। ব্যস্ততম এ বাজারটিতে রাতের বেলায় ব্যবসায়ীরা তাদের রেখে যাওয়া মালমাল রেখে যান অনিশ্চয়তায়। পাহারা দেয়ার জন্য অন্তত ৫-৬ জন নাইট গার্ড থাকার কথা থাকলেও মাত্র অস্থায়ী দুইজন নাইট গার্ড দিয়ে চলছে এত বড় বাজারের নিরাপত্তার কার্যক্রম। যা কোন অবস্থাতেই পর্যাপ্ত নয়। যার অভাবে প্রতি মাসে দুই চারটি চুরির ঘটনা ঘটছে এ বাজারটিতে। এই ভয়ে অনেক ব্যবসায়ীরা দোকানেই রাত্রী যাপন করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আবার অনেক ব্যবসায়ীরা এসব চুরি ঠেকাতে নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপন করেছে সিসি ক্যামেরা।
বাজারে বর্তমানে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কোন দোকানে অগ্নিকান্ড ঘটলে বাজারের আশেপাশে কোন পানি না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসেও বিপাকে পড়তে হয়। এতে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে ঐ ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদেরকে।
নিয়ন্ত্রণহীন এই বাজারের ব্যবসীরা তাদের মনগড়া দামে বিক্রি করছেন পণ্যসামগ্রী। যা আশপাশের বাজারের তুলনায় একটু ব্যতিক্রম। এতে সাধারণ ক্রেতারা দীর্ঘদিন যাবত অভিযোগ করছে পণ্য ভিত্তিক সিন্ডিকেট নিয়ে। এদিকে নির্দিষ্ট কোন পরিচালনা কমিটি না থাকায় ব্যবসায়ীরাও তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারছেন না কারো কাছে। অস্থায়ী দু চারজন ব্যবসীদের দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছেন বাজারের আয় ব্যায় হিসাব। এ নিয়ে চাঁদপুরের স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে বহুবার সংবাদ প্রকাশ হলেও নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা। পদাধিকার বলে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারীকে বাজার ব্যবসায়ীরা জোড় দাবী জানালেও কোন ব্যবস্থা নেন নি তিনি। চাঁদপুর সদর, হাজীগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুষের জনসমাগম ঘটে এ বাজারটিতে।
উৎপাদন কারখানা, আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান সহ জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই এলাকায় থাকায় এই বাজারের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও এই বাজারের চতুর্দিকে রয়েছে মাদ্রাসা, ব্যাংক-বীমা, এনজিও সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এ সকল প্রতিষ্ঠান থাকার কারণে এই এলাকায় ঘনবসতি দিন দিন বেড়েই চলছে। তাদের কেনা কাটার নির্ভরযোগ্য বাজার হচ্ছে মহামায়া। এ বাজারে প্রতিনিয়ত দূর-দূরান্ত থেকে বাজার করতে আসে শত শত মানুষ। বাজারটি আশপাশের মধ্যে সবচেয়ে বড় হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতা সমাগমও ঘটে ব্যাপক। কিন্তু সবচেয়ে সমস্যার বিষয় হচ্ছে, মহামায়া বাজারে নেই কোন শৃঙ্খলা, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রিক। তাই প্রাথমিক ভাবে একটি উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে বাজারের সার্বিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে বাজারের নিত্যদিনের সমস্যাগুলি সমাধান হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, আমরা বাজারের ব্যবসায়ী হয়ে কোন সুযোগ সুবিধা পাইনি। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত এ বাজারে কমিটি না থাকায় বাজারের এখন বেহাল অবস্থা। অনিশ্চিত নিরাপত্তায় লাখ লাখ টাকার মালামাল রেখে বাড়িতে যেতে হয়। অসংখ্য সমস্যায় জর্জরিত ঐতিহ্যবাহী এ বাজারটি। ব্যস্ততম এ বাজারের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছি।
পদাধিকার বলে বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও শাহমাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী বলেন, গ্রাম পুলিশ নিয়ে বাজারের সাময়িক সমস্যাগুলো নিরসনে কাজ করা হবে। তবে এতে প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, খুব সহসাই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে বাজারের সাময়িক সমস্যাগুলো জেনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।