বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী দিবসে সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরীকে চর্যাপদ একাডেমির সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪, ১০:৫২ পিএম
নারী দিবসে সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরীকে চর্যাপদ একাডেমির সংবর্ধনা

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি।

শুক্রবার ৮ মার্চ সন্ধ্যায় নারী দিবস উপলক্ষ্যে তার বাসভবনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে এবং বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি, উপমহাপরিচালক দুখাই মুহাম্মাদ, সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিক, প্রচার ও প্রকাশনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, আর্কাইভ ও নথি ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-আমি সানি, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি প্রমুখ।

এ সময় ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর আলোকপাত করা হয় এবং তাঁর মুখ থেকে শোনা হয় সফলতার পেছনে লুকিয়ে থাকা সুখ-দুঃখের গল্প।

Model Hospital

অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী বলেন, ‘চর্যাপদ একাডেমি আজ যে সম্মানটুকু আমাকে দিয়েছে, আমি মনে করি এটা শুধু আমার প্রতিই সম্মান প্রদর্শন নয়, সমগ্র মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। আমি যতটুকু জানি অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে একাডেমিটি আজ এ পর্যন্ত এসে পৌছেছে।

আমার বিশ্বাস, চর্যাপদ একাডেমি এ দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকে লালন করার মধ্যে দিয়ে নিজেরাও ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।’ এ সময় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নি জানান, চর্যাপদ একাডেমির পক্ষ থেকে প্রতি বছর নারী দিবসে একজন সফল নারীর বাসভবনে ছুটে গিয়ে আমরা সংবর্ধনা প্রদান করি এবং তাঁর মুখ থেকে সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে থাকা সুখ-দুঃখের গল্প শুনি।

চর্যাপদ একাডেমির মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি জানান, নারী দিবসে একজন নারীকে সংবর্ধনা প্রদান করার মধ্য দিয়ে আমরা নিজেরা সম্মানিত হই। এর আগে সংগীতশিল্পী ইতু চক্রবতী এবং জেলা উদীচীর সভাপতি মহান মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা কৃষ্ণা সাহাকে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’