ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা

গোটা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেছেন স্বাধীনতার ইতিহাস মুক্তি আর সংগ্রামের ইতিহাস। তাই দেশকে এগিয়ে নিতে স্বাধীনতার চেতনা লালন ও ধারণ করার কোনো বিকল্প নেই। ঐক্য হচ্ছে বাঙালি জাতির প্রথম চেতনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। জাতীর পিতা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন। আজকের যে অর্থনীতি তা হাজারো চেষ্টায় অর্জন করা হয়েছে। গোটা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখনো স্বাধীনতা বিরোধীদের অপচেষ্টা থেমে যায়নি।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান বলেন, স্বাধীনতার শক্তিতে, দীপ্তিতে বলীয়ান হয়ে এই অপচেষ্টাকারীদের রুখে দিতে হবে। সবাই একসাথে কাজ করি, আমরা সক্রিয় হই অধিকার আদায়ে। আমাদের সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। তবেই আমাদের উন্নতি অগ্রগতি তরান্বিত হবে। বঙ্গবন্ধু বৈষম্যহীন একটি দেশের স্বপ্ন দেখতেন। সেই সমাজে ধনী-দরিদ্রের, নারী পুরুষের বৈষম্য থাকবে না। যা কিছু সুন্দর, আধুনিক, দেশের জন্যে মঙ্গলজনক সেই স্বপ্নই দেখতেন শেখ মুজিবর রহমান। শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এক দিনে স্বাধীন হয়নি। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই দেশ। বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাহ হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি জন্ম না নিলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। স্বাধীনতার জন্য আমাদের মনে অনেক অজানা দু:খ রয়ে গেছে। আমরা জয় বাংলার তিপ্তিতে যুদ্ধ করেছি। আমরা জয় বাংলা বললে মনে জোর পেতাম। এই জয় বাংলা কারো একার নয়। জয় বাংলা শ্লোগান সকলের। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তিলে তিলে ধীরে ধীরে পরিপূর্ণতা লাভ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইমরান শাহারীয়ার এর সভাপতিত্বে ও সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাখাওয়াত জামিল সৈকত, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা আব্দুল হাফিজ খান, মৃনাল কা‌ন্তি সাহা, সহকারি কমান্ডার মহ‌সিন পাঠান,চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ শেখ মহসীনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে চাঁদপুর জেলার ২’ শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে মাদরাসাতু মুহাম্মদ সাঃ উদ্বোধন

স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা

গোটা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেছেন স্বাধীনতার ইতিহাস মুক্তি আর সংগ্রামের ইতিহাস। তাই দেশকে এগিয়ে নিতে স্বাধীনতার চেতনা লালন ও ধারণ করার কোনো বিকল্প নেই। ঐক্য হচ্ছে বাঙালি জাতির প্রথম চেতনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। জাতীর পিতা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন। আজকের যে অর্থনীতি তা হাজারো চেষ্টায় অর্জন করা হয়েছে। গোটা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখনো স্বাধীনতা বিরোধীদের অপচেষ্টা থেমে যায়নি।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান বলেন, স্বাধীনতার শক্তিতে, দীপ্তিতে বলীয়ান হয়ে এই অপচেষ্টাকারীদের রুখে দিতে হবে। সবাই একসাথে কাজ করি, আমরা সক্রিয় হই অধিকার আদায়ে। আমাদের সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। তবেই আমাদের উন্নতি অগ্রগতি তরান্বিত হবে। বঙ্গবন্ধু বৈষম্যহীন একটি দেশের স্বপ্ন দেখতেন। সেই সমাজে ধনী-দরিদ্রের, নারী পুরুষের বৈষম্য থাকবে না। যা কিছু সুন্দর, আধুনিক, দেশের জন্যে মঙ্গলজনক সেই স্বপ্নই দেখতেন শেখ মুজিবর রহমান। শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এক দিনে স্বাধীন হয়নি। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই দেশ। বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাহ হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি জন্ম না নিলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। স্বাধীনতার জন্য আমাদের মনে অনেক অজানা দু:খ রয়ে গেছে। আমরা জয় বাংলার তিপ্তিতে যুদ্ধ করেছি। আমরা জয় বাংলা বললে মনে জোর পেতাম। এই জয় বাংলা কারো একার নয়। জয় বাংলা শ্লোগান সকলের। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তিলে তিলে ধীরে ধীরে পরিপূর্ণতা লাভ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইমরান শাহারীয়ার এর সভাপতিত্বে ও সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাখাওয়াত জামিল সৈকত, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা আব্দুল হাফিজ খান, মৃনাল কা‌ন্তি সাহা, সহকারি কমান্ডার মহ‌সিন পাঠান,চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ শেখ মহসীনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে চাঁদপুর জেলার ২’ শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।