শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ড. এমএ সাত্তারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪, ৫:৫৫ পিএম
শাহরাস্তিতে ড. এমএ সাত্তারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন
শাহরাস্তিতে সাবেক সচিব সিএসপি অফিসার, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী, নারী শিক্ষার আলোর দিশারী ড. এম.এ. সাত্তারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
রবিবার মরহুমের মায়ের নামের স্থাপিত ‘করফুল্লেরনেছা সরকারি মহিলা কলেজের কর্তৃপক্ষের আয়োজনে কলেজ মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণের পর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ড. এম.এ. সাত্তার ১৯৩২ সালের ১ জুন তৎকালীন বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার বর্তমান চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের নাওড়া পাটোয়ারী বাড়ির মরহুম দিব্য জ্ঞানে সমৃদ্ধআব্দুল আজিজ পাটওয়ারী এবং বিদ্যুৎসাহী নারী করফুল্লেরনেছা দম্পতির সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
 তিনি ১৯৯২ সালের মে মাসের চতুর্থ সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত পরিবার পরিকল্পনা সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা আইকমের মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরস্থ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান হিসেবে যোগদান করতে যান এবং মে মাসের ২৬ তারিখে সেখানে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ জনিত কারনে মৃত্যুবরণ করেন ।
ওইদিন আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মোশারফ হোসেনের সভাপ্রদানে সিনিয়র প্রভাষক কৃষ্ণ কান্ত পালের সঞ্চালনায় এতে মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচকগণ ব্যাপক আলোচনা করেন। এতে উপস্থিত দর্শক শ্রোতা মহান ব্যক্তিত্বের জীবনের অজানা তথ্য সম্পর্কে  অবগত হন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, কলেজ  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মোশারফ হোসেন, প্রদর্শন মোঃ সেলিম পাটোয়ারী লটন এবং গনমাধ্যমকর্মী মোঃ রুহুল আমিন, কলেজের সি:প্রভাষক শিল্পী হাওলাদার, সি: প্রভাষক ফৌজিয়া সুলতানা, প্রদর্শক ইমাম ফয়সাল এবং প্রদর্শক অমল কুমার সূত্রধর প্রমূখ।
দিনের শুরুতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রথমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত সুলতানা।
মরহুমের স্মৃতির স্বরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। তারপর মরহুমের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল,সমাধিতে পুষ্প্স্তবক অর্পণ শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় নাওড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ তোফাজ্জল হোসেন দোয়া পরিচালনা করেন।
একইদিন মরহুমের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি এডুকেশন (বেইস) ও তার ‘এমসিপি’ প্রকল্পের শাহরাস্তি উপজেলা অফিস তাদের নিজস্ব উদ্যোগে যৌথভাবে মরহুমের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে ‘বেইস’ এর পক্ষে মোঃ মাসুম ইকবাল অধ্যক্ষ ডক্টর শামসুর রহমান গনবিদ্যালয় এবং এমসিপি প্রকল্পের শাখা ব্যবস্থাপক গিরিশ চন্দ্র রায় তাদের স্ব-স্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে নিয়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মরহুম ডঃ এম. এ. সাত্তারের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাসমূহ তাদের নিজস্ব উদ্যোগে মরহুমের মৃত্যু দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া এবং আলোচনা সভার আয়োজনের করে।
উল্লেখ্য,বাংলাদেশের অন্যতম এ  শ্রেষ্ঠ সন্তান চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার গর্বের ধন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত  একাদ্বারে তিনি  ড. এম.এ. সাত্তার  ছিলেন বাংলাদেশ গনশিক্ষা সমিতি, বেসরকারি সংস্থা বেইসের প্রতিষ্ঠাতা,  বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব (সিএসপি), বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, বাংলাদেশে নারী শিক্ষার অগ্রদূত, বর্তমানে নারী শিক্ষা বিস্তারে চলমান উপবৃত্তি প্রকল্পের প্রবক্তা, মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষার রুপকার এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক।
ড.এম.এ. সাত্তার শাহরাস্তির নিউ স্কিম হাই মাদ্রাসায় (বর্তমানে শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়) অধ্যয়ন করেন এবং জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন। তারপর তিনি চট্টগ্রামে হাই মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং ঐ মাদ্রাসা হতে ১৯৫১ সালে প্রথম স্থান অধিকার করে মেট্রিক পাস করেন।
তিনি ১৯৫৩ সালে ঢাকা কলেজ থেকে বোর্ডের মেধা তালিকায় সপ্তম স্থান অধিকার করে আইএ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৫৬ সালে তিনি অর্থনীতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  তিনি লোক প্রশাসনে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন এবং একই সাথে সিএসপি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সারা পাকিস্তানে প্রথম স্থান অধিকার করে লাহোর সিভিল সার্ভিস ট্রেনিং একাডেমিতে যোগদান করেন।
দীর্ঘ এক বছর ট্রেনিং শেষে তিনি যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন ।
১৯৬০ সালে সিএসপি অফিসার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তাঁর প্রথম কর্মস্থল ছিল বৃহত্তর সিলেট জেলার মৌলভীবাজার মহকুমা প্রশাসক হিসেবে। অতঃপর তিনি রংপুর নারায়ণগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬২ সালে ব্রিটিশ নাগরিক ড. এলেন মেরি হেরিংটনের সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । বিয়ের পূর্বে তিনি বিলেতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনকালে মেরির সাথে পরিচিত হন, পরিচয় থেকে পরবর্তীতে বেশ কয়েক বছর মেরির সাথে প্রেম করেন। অতঃপর তিনি নারায়নগঞ্জ মহাকুমা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মেরিকে বিয়ে করেন। তাঁর বিয়ে পড়ান জ্ঞান তাপস ড. মোঃ শহীদ উল্লাহ। তার বিয়ে হয় ইসলামী রীতিনীতি মেনে কিন্তু আংটি বদল হয় খ্রিস্টান ধর্মীয় রীতিতে।
ড. সাত্তার ১৯৬৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম কলেজ থেকে ডেভলপমেন্ট ইকনমিক্সে এম এ ডিগ্রি লাভ করেন এবং ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন ।
১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করায় পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি হন তিনি।ড. সাত্তার ব্যক্তি জীবনে চার জন পুত্র সন্তানের জনক ।
তারা সবাই সুশিক্ষিত এবং প্রতিষ্ঠিত, বিদেশে প্রতিষ্ঠিত। তার ৪ ছেলেই বিদেশে প্রতিষ্ঠিত। তারা কেউ বাংলাদেশে বসবাস করেন না।ড. সাত্তারের অবদানের ফলশ্রুতিতে চাঁদপুরের শাহারাস্তি উপজেলার শিক্ষার হার ৯৬% ভাগে উন্নীত হয়েছে । তাঁর নাম চাঁদপুরের শাহরাস্তির আপামর জনতা  তথা সারা দেশবাসীর হৃদয়ে চিরদিন অমলিন হয়ে থাকবেন তিনি ।উল্লেখিত  তথ্য উপাত্ত গণমাধ্যমে আয়োজকগণ জানান দিয়ে  এই সূর্যসন্তানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র গভীর  শ্রদ্ধার সাথে তাঁকে স্বরণ করেন।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’