বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ৩৫ জন হতদরিদ্রের মাঝে  ২২ লক্ষ টাকার চেক ও নগদ অর্থ বিতরণ

টপ সয়েল কেটে নেওয়া বন্ধ করতে হবে : রফিকুল ইসলাম এমপি

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪, ৪:৪০ এম
টপ সয়েল কেটে নেওয়া বন্ধ করতে হবে : রফিকুল ইসলাম এমপি

শাহরাস্তিতে ৩৫ জন হতদরিদ্রের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সাংসদ মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের অনুদানের ২২ লক্ষ টাকার চেক নগদ অর্থ ভিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওইদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও সাংসদের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদানের চেক ও নগদ অর্থ ৩৫ হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইয়াসির আরাফাতের সভাপ্রধানে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে এ চেক বিতরণ করেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।

Model Hospital

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল থেকে আপনাদের চিকিৎসা ও জীবন জীবিকার ব্যয় নির্বাহের জন্য এ অর্থ প্রদান করেছেন। সরকারের এ অর্থ পেয়ে আপনারা অবশ্যই উপকৃত হবেন। যা অনেকের জীবনে কষ্ট লাঘবে উপকারে আসবে। আমি সব সময় আপনাদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুকূল হতে এই অর্থ আপনাদের জন্য বারবার নিয়ে আসি। আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। আমিও আপনাদের পাশে ছিলাম থাকবো। ওই হিসেবে আজ প্রায় ৩৫ জন মানুষের মাঝে  ২২ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক বিতরন করা হল। পরিশেষে তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপশ শীল, শাহরাস্তি মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, শাহরাস্তি পৌর মেয়র হাজী আব্দুল লতিফ, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ইরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেড এম আনোয়ার হোসেন, সাংসদের একান্ত সহকারি মশিউর রহমান শাহিন, ডা: মাসুদ হাসান, উপজেলা প্রকৌশলী পারভেজ সরোয়ার হোসেন, হাজিগঞ্জ প্রাকৌশলী রেজওয়ানুর রহমান, শাহরাস্তি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সবুজ, হাজীগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাকির হোসেন, শাহরাস্তি কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার, শাহরাস্তি মৎস্য অফিসার তৌসিব উদ্দিন, হাজীগঞ্জ কৃষি অফিসার দিলরুবা, হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী সুবিধাভোগী, দলীয় নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পরবর্তীতে হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুটি উপজেলায় চুরি বেড়ে যাওয়া ও তা নিয়ন্ত্রণ করা প্রসঙ্গ, কৃষি জমির মাটি/টপসয়েল অবৈধভাবে কেটে নেওয়া বন্ধের জন্য, এবং দুই উপজেলার সকল খালের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক অবৈধ দখল থেকে খালসমূহ পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে ব্যাপক আলোচনা হয়।

একই সঙ্গে দুই উপজেলায় সিএনজি চালিত গাড়ী ও অন্যান্য যানবাহন থেকে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ প্রসঙ্গ, শাহরাস্তি উপজেলায় গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন (টিআর) কর্মসূচির আওতায় গৃহীত গৃহহীন মানুষদের ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তা বরাদ্দ সংক্রান্ত প্রকল্প, উভয় উপজেলার জন্য প্রাপ্ত কাবিটার নতুন বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়।

বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৮ এম
বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়-নীতি, সততা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।’

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক মাহফিলে এ মন্তব্য করেন তিনি। সঙ্গে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধ অনুসরণ করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে নৈতিকতার চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মাহফিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি,নৈতিকতা,ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন চরমোনাই পীর। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দেশ খেয়েছে খাজুরেরা, নাম পড়েছে হুজুরের।’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘ইসলামিক দল নাম দিয়ে,বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল?’ তিনি দাবি করেন, যারা মুসলমান তারা মিথ্যা বলতে পারে না। তার বক্তব্যে ধর্মীয় আদর্শের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Model Hospital

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বক্তব্যে চরমোনাই পীর দেশের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজসহ বিভিন্ন সামাজিক অনাচার নিয়েও সমালোচনা করেছেন।