ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে অটো চালকের মৃত্যু

চাঁদপুর পুরানবাজার দুই গ্রুপের সংঘর্ষ নিহত ১ ও আহত শতাধিক হয়েছে বলে জানা যায়।

Model Hospital

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, চাঁদপুর পৌরসভার প্যাণেল মেয়র মোহাম্মদ আলি মাঝির মেঝ ছেলে মোঃ সজিব মাঝি মঙ্গলবার সন্ধায় পলাশের মোড়ে মেরকাটিজ রোডের সহিদ হাওলাদার এর ছেলে মোঃ শান্ত হাওলাদার কে মারধর করলে,দুইটি গ্রুপের মারামারিতে লিপ্ত হয়ে ভয়াবহ রুপ ধারন করে। দুই গ্রুপে সংর্ঘষে নিতাইগঞ্জ রোড থেকে সজিব মাঝি গ্রুপ আর মেরকাটিজ রোড ও খালের দক্ষিণ পার মাঠের কোনা এক হয়ে দেশীয় অশ্রসশ্র নিয়ে ধাওয়া পালটা দাওয়া শুরু হয়।

দুই পক্ষের ইট পাটকেলে পথচারি সহ উভয় পক্ষের অনতত শতাদিক লোক। একই সময় স্হানীয় মাঠের কোনার ২০-৩০ টি দোকানপাট ভাংচুর করে মাঝি গ্রুপ, শান্ত গ্রুপের লোকজন সহ আরো কয়েকজন বলেন মারামারির সময় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ খানের মেঝ ছেলে দুই সন্তানের জনক মোঃ আল আমিন খান পলাশের মোড় দিয়ে আশার সময় মারামারি মাঝে পড়ে গেলে সজিব মাঝি গরুপের লোকজন তাকে ইট মেরে আহত করে।

তাৎক্ষনিক সজিব মাঝি এসে আল আমিন কে গুলি করে ততক্ষণে আল আমিন মাটিতে লুটিয়ে পরলে রক্তের ঢলে রাস্তা ভিজে যায়।

খবর পেয়ে বাবা ডেঙ্গু খান ছেলেকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক বহু চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেনি। ডাঃ জানায় অতিরিক্ত রক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে পুরানবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাজিব কুমার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে চাঁদপুর সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ফাঁকা রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে এলাকা শান্ত করেন।

অপর দিকে নিহত আল আমিন এর পরিবার এর মা হালিমা বেগম বলে সজিব মাঝি তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে, এ খবরে এলাকার মানুষ নিহতের বাড়িতে ভীড় করেন। অনেকেই বলেন আল আমিন পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সে অটো চালিয়ে নিজের সংসার চালিয়ে এক স্রী ও দুই ছোট ছোট মেয়ে নিয়ে খেয়ে বাঁচত। কিন্তু আজ ওই সন্তানের কি হবে তারা কি আর খুঁজে পাবে তাদের বাবাকে?

এ বিষয়ে আব্দুল মজিদ খান ডেঙ্গু বলেন আমার ছেলেকে যে গুলি করে মারছে আমি তার ফাঁসি চাই, আমি আইনের কাছে বিচার চাই, এদিকে আল আমিন এর মৃত্যুর খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে দেখতে ছুটে যান মেয়র সহ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা ও কর্মি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে। আর পুলিশ জানায় পোস্টমর্টেম করার পরেই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

অপর দিকে জানা যায় মোহাম্মদ আলি মাঝির বড় ছেলে রাকিব মাঝি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয় হতে না পেরে নাকি সজিব মাঝি শান্ত হাওলাদারকে মারধর করে তা নিয়ে বড় ধরনের ঘটনায় লিপ্ত হয় উভয় পক্ষের লোকজন।

তবে এখনো ওই এলাকায় থম থম অবস্থা বিরাজ করছে।

বহু চেষ্টা করেও সজিব মাঝি কিনবা মোহাম্মদ আলি মাঝির সাথে যোগাযোগ করা যায়নি বলে তাদের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলের শ্রেণিকক্ষে ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় ছাত্রীসহ প্রধান শিক্ষক আটক

চাঁদপুরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে অটো চালকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১২:২৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪

চাঁদপুর পুরানবাজার দুই গ্রুপের সংঘর্ষ নিহত ১ ও আহত শতাধিক হয়েছে বলে জানা যায়।

Model Hospital

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, চাঁদপুর পৌরসভার প্যাণেল মেয়র মোহাম্মদ আলি মাঝির মেঝ ছেলে মোঃ সজিব মাঝি মঙ্গলবার সন্ধায় পলাশের মোড়ে মেরকাটিজ রোডের সহিদ হাওলাদার এর ছেলে মোঃ শান্ত হাওলাদার কে মারধর করলে,দুইটি গ্রুপের মারামারিতে লিপ্ত হয়ে ভয়াবহ রুপ ধারন করে। দুই গ্রুপে সংর্ঘষে নিতাইগঞ্জ রোড থেকে সজিব মাঝি গ্রুপ আর মেরকাটিজ রোড ও খালের দক্ষিণ পার মাঠের কোনা এক হয়ে দেশীয় অশ্রসশ্র নিয়ে ধাওয়া পালটা দাওয়া শুরু হয়।

দুই পক্ষের ইট পাটকেলে পথচারি সহ উভয় পক্ষের অনতত শতাদিক লোক। একই সময় স্হানীয় মাঠের কোনার ২০-৩০ টি দোকানপাট ভাংচুর করে মাঝি গ্রুপ, শান্ত গ্রুপের লোকজন সহ আরো কয়েকজন বলেন মারামারির সময় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ খানের মেঝ ছেলে দুই সন্তানের জনক মোঃ আল আমিন খান পলাশের মোড় দিয়ে আশার সময় মারামারি মাঝে পড়ে গেলে সজিব মাঝি গরুপের লোকজন তাকে ইট মেরে আহত করে।

তাৎক্ষনিক সজিব মাঝি এসে আল আমিন কে গুলি করে ততক্ষণে আল আমিন মাটিতে লুটিয়ে পরলে রক্তের ঢলে রাস্তা ভিজে যায়।

খবর পেয়ে বাবা ডেঙ্গু খান ছেলেকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক বহু চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেনি। ডাঃ জানায় অতিরিক্ত রক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে পুরানবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাজিব কুমার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে চাঁদপুর সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ফাঁকা রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে এলাকা শান্ত করেন।

অপর দিকে নিহত আল আমিন এর পরিবার এর মা হালিমা বেগম বলে সজিব মাঝি তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে, এ খবরে এলাকার মানুষ নিহতের বাড়িতে ভীড় করেন। অনেকেই বলেন আল আমিন পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সে অটো চালিয়ে নিজের সংসার চালিয়ে এক স্রী ও দুই ছোট ছোট মেয়ে নিয়ে খেয়ে বাঁচত। কিন্তু আজ ওই সন্তানের কি হবে তারা কি আর খুঁজে পাবে তাদের বাবাকে?

এ বিষয়ে আব্দুল মজিদ খান ডেঙ্গু বলেন আমার ছেলেকে যে গুলি করে মারছে আমি তার ফাঁসি চাই, আমি আইনের কাছে বিচার চাই, এদিকে আল আমিন এর মৃত্যুর খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে দেখতে ছুটে যান মেয়র সহ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা ও কর্মি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে। আর পুলিশ জানায় পোস্টমর্টেম করার পরেই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

অপর দিকে জানা যায় মোহাম্মদ আলি মাঝির বড় ছেলে রাকিব মাঝি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয় হতে না পেরে নাকি সজিব মাঝি শান্ত হাওলাদারকে মারধর করে তা নিয়ে বড় ধরনের ঘটনায় লিপ্ত হয় উভয় পক্ষের লোকজন।

তবে এখনো ওই এলাকায় থম থম অবস্থা বিরাজ করছে।

বহু চেষ্টা করেও সজিব মাঝি কিনবা মোহাম্মদ আলি মাঝির সাথে যোগাযোগ করা যায়নি বলে তাদের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।