বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের ৫০ গ্রামে রাত পোহালেই ঈদ

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪, ৯:৪৭ পিএম
চাঁদপুরের ৫০ গ্রামে রাত পোহালেই ঈদ
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোববার (১৬ জুন) চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হবে। এই জন্য সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা। জেলার হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উত্তর উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার এমন অর্ধশত গ্রামের বাসিন্দারা এই ধর্মীয় উৎসবে শামিল হচ্ছেন।
হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা পীর আবু ইয়াহিয়া মো. জাকারিয়া আল মাদানি জানান, এই দেশে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মরহুম মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯২৮ সাল রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন তিনি। তারপর থেকে সেই ধারা দেশের বিভিন্ন দরবার শরীফের পীরের অনুসারি এবং সচেতন মুসুল্লিরা পালন করছেন।
তিনি আরও জানান, সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন শেষ। তাই রোববার সেখানে পশু কোরবানি দেয়া হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যদেশগুলোতেও একই দিনে ঈদ উদযাপন হবে।
এদিকে, সাদ্রা দরবার শরিফে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার পাশে সাদ্রা সিনিয়র মাদ্রাসা মাঠে পৃথক আরেকটি ঈদের জামাত হবে। ঠিক একই সময় জেলার ফরিদগঞ্জ টোরামুন্সিরহাট বাজার জামে মসজিদেও অনুষ্ঠিত হবে।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রচ্যের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিবছর এবারও ঈদ উদযাপন করবেন জানালেন এই মতের অনুসারি আনোয়ার হোসেন মামুন মুন্সি।
তিনি জানান, তার পরিবারের সবাই সারাদেশে অন্যদের চেয়ে এভাবে ঈদ উদযাপন করছেন। রোজাও পালন করছেন একইভাবে।

বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৮ এম
বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়-নীতি, সততা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।’

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক মাহফিলে এ মন্তব্য করেন তিনি। সঙ্গে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধ অনুসরণ করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে নৈতিকতার চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মাহফিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি,নৈতিকতা,ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন চরমোনাই পীর। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দেশ খেয়েছে খাজুরেরা, নাম পড়েছে হুজুরের।’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘ইসলামিক দল নাম দিয়ে,বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল?’ তিনি দাবি করেন, যারা মুসলমান তারা মিথ্যা বলতে পারে না। তার বক্তব্যে ধর্মীয় আদর্শের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Model Hospital

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বক্তব্যে চরমোনাই পীর দেশের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজসহ বিভিন্ন সামাজিক অনাচার নিয়েও সমালোচনা করেছেন।